ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একজন অপদার্থকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির পড়তে-লিখতে জানেন না, শুনে শুনে ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ! সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনায় জামায়াত নেতারা জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার বিশ্ববাজারে তৃতীয় দফায় তেলের দামে বড় পতন মোহনপুরে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মসজিদে সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা

শারম আল-শেখে ঐতিহাসিক গাজা শান্তিচুক্তি সই: ট্রাম্পের ভাষায় ‘দ্য বিগেস্ট ডিল’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

 

মিশরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে ঐতিহাসিক গাজা শান্তিচুক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে আখ্যা দিয়েছেন ‘দ্য বিগেস্ট ডিল’ বা ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ হিসেবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, যিনি দীর্ঘদিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করলেন। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণ বাতিল করেন, কারণ সোমবার রাতেই শুরু হয় ইহুদি উৎসব সিমখাত তোরাহ

প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা এই শান্তি সম্মেলনে অংশ নেন। গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। সম্মেলনের শুরুতে ট্রাম্প আগত নেতাদের শুভেচ্ছা জানান এবং “Peace-2025” লেখা ব্যাকড্রপের সামনে সবাইকে নিয়ে ঐতিহাসিক গ্রুপ ফটো তোলেন। ছবিতে ট্রাম্প, মাহমুদ আব্বাস, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানসহ বহু আরব ও ইউরোপীয় নেতাকে দেখা যায়।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এরদোয়ান পূর্বেই সতর্ক করেছিলেন যে, নেতানিয়াহু উপস্থিত থাকলে অনেক মুসলিম নেতা সম্মেলন বয়কট করবেন। সেই কারণে শেষ মুহূর্তে নেতানিয়াহু সফর বাতিল করেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প বলেন, “আজ আমরা শুধু এক যুদ্ধের অবসান ঘটালাম না—আমরা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য এক নতুন ইতিহাস রচনা করলাম। এটি ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’, যা শান্তির নতুন ভোর এনে দেবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও মানবিক পুনর্গঠনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই

শারম আল-শেখে ঐতিহাসিক গাজা শান্তিচুক্তি সই: ট্রাম্পের ভাষায় ‘দ্য বিগেস্ট ডিল’

আপডেট সময় ০৯:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

 

মিশরের উপকূলীয় শহর শারম আল-শেখে সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে ঐতিহাসিক গাজা শান্তিচুক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে আখ্যা দিয়েছেন ‘দ্য বিগেস্ট ডিল’ বা ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ হিসেবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, যিনি দীর্ঘদিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করলেন। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণ বাতিল করেন, কারণ সোমবার রাতেই শুরু হয় ইহুদি উৎসব সিমখাত তোরাহ

প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা এই শান্তি সম্মেলনে অংশ নেন। গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। সম্মেলনের শুরুতে ট্রাম্প আগত নেতাদের শুভেচ্ছা জানান এবং “Peace-2025” লেখা ব্যাকড্রপের সামনে সবাইকে নিয়ে ঐতিহাসিক গ্রুপ ফটো তোলেন। ছবিতে ট্রাম্প, মাহমুদ আব্বাস, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানসহ বহু আরব ও ইউরোপীয় নেতাকে দেখা যায়।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এরদোয়ান পূর্বেই সতর্ক করেছিলেন যে, নেতানিয়াহু উপস্থিত থাকলে অনেক মুসলিম নেতা সম্মেলন বয়কট করবেন। সেই কারণে শেষ মুহূর্তে নেতানিয়াহু সফর বাতিল করেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প বলেন, “আজ আমরা শুধু এক যুদ্ধের অবসান ঘটালাম না—আমরা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য এক নতুন ইতিহাস রচনা করলাম। এটি ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’, যা শান্তির নতুন ভোর এনে দেবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও মানবিক পুনর্গঠনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।