ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানি এজেন্টকে তথ্য পাচারের অভিযোগে গুজরাটে স্বাস্থ্যকর্মী গ্রেফতার, নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের গুজরাট রাজ্যে ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)–সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানি এজেন্টের কাছে পাচারের অভিযোগে সাহদেব সিং গোহিল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS)। শনিবার কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ATS-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কে সিদ্ধার্থ জানান, ২৮ বছর বয়সী গোহিল কচ্ছ জেলার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী। তিনি ২০২৩ সালে “আদিতি ভরদ্বাজ” নামে এক নারীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগে আসেন, যিনি পরে পাকিস্তানি এজেন্ট বলে প্রমাণিত হন। গোহিল বিএসএফ ও আইএএফ-এর নির্মাণাধীন ও নবনির্মিত স্থাপনাগুলোর ছবি ও ভিডিও ওই নারীকে পাঠান।

২০২৫ সালের শুরুতে নিজের আধার কার্ড ব্যবহার করে গোহিল একটি সিম কার্ড সংগ্রহ করেন, যেটি আদিতি ভরদ্বাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। ফরেনসিক তদন্তে দেখা যায়, পাকিস্তান থেকেই নিয়ন্ত্রিত নম্বরের মাধ্যমে স্পর্শকাতর তথ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছিল। এছাড়া এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গোহিলের কাছে নগদ ৪০,০০০ রুপি পৌঁছে দেয়।

গেল কয়েক সপ্তাহে গোহিলের মতো আরও অন্তত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইউটিউবার, ব্যবসায়ী এবং নিরাপত্তারক্ষী। জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই গ্রেফতারগুলো ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে শঙ্কার ছায়া ফেলেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেত্রী নিলোফার চৌধুরীর বক্তব্যে জামায়াতের ক্ষোভ

পাকিস্তানি এজেন্টকে তথ্য পাচারের অভিযোগে গুজরাটে স্বাস্থ্যকর্মী গ্রেফতার, নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে

আপডেট সময় ০৫:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

ভারতের গুজরাট রাজ্যে ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)–সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানি এজেন্টের কাছে পাচারের অভিযোগে সাহদেব সিং গোহিল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS)। শনিবার কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ATS-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কে সিদ্ধার্থ জানান, ২৮ বছর বয়সী গোহিল কচ্ছ জেলার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী। তিনি ২০২৩ সালে “আদিতি ভরদ্বাজ” নামে এক নারীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগে আসেন, যিনি পরে পাকিস্তানি এজেন্ট বলে প্রমাণিত হন। গোহিল বিএসএফ ও আইএএফ-এর নির্মাণাধীন ও নবনির্মিত স্থাপনাগুলোর ছবি ও ভিডিও ওই নারীকে পাঠান।

২০২৫ সালের শুরুতে নিজের আধার কার্ড ব্যবহার করে গোহিল একটি সিম কার্ড সংগ্রহ করেন, যেটি আদিতি ভরদ্বাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। ফরেনসিক তদন্তে দেখা যায়, পাকিস্তান থেকেই নিয়ন্ত্রিত নম্বরের মাধ্যমে স্পর্শকাতর তথ্য আদান-প্রদান করা হচ্ছিল। এছাড়া এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গোহিলের কাছে নগদ ৪০,০০০ রুপি পৌঁছে দেয়।

গেল কয়েক সপ্তাহে গোহিলের মতো আরও অন্তত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইউটিউবার, ব্যবসায়ী এবং নিরাপত্তারক্ষী। জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই গ্রেফতারগুলো ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে শঙ্কার ছায়া ফেলেছে।