ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৯ বিয়ে করা মুফতী কাসেমী যেভাবে মাদানীর শ্বশুর হলেন মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজ ৯ বছরের সিফাত ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ ‘অবৈধ’: চীন ভোটের পর উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, সহিংসতায় প্রাণ গেল ৪ জনের ফ্যামিলি-কৃষক কার্ড ও খাল খনন মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়েছে : মির্জা ফখরুল মমতার এক ঘোষণায় নজিরবিহীন সংকটে পশ্চিমবঙ্গ, এখন কী হবে? গণপিটুনিতে নিহত ট্রাকচালকের শিশুকন্যার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আল্লাহ যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন: দ্বিতীয় বিয়ে করলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী ‘পুশইন’ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে বিজিবিকে নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষ’মতায় না আসতেই মাংসের দোকানে বুলডোজার চালালো বিজেপি সমর্থকরা

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় জামিনে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরও ৩৫ সাবেক সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

 

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিডিআরের সাবেক ৩৫ সদস্য। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন। মুক্তির মুহূর্তে কারাফটকের সামনে উপস্থিত ছিলেন তাদের স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাদের মুক্ত করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা এবং পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন ২ জন ও ৩২ জন সাবেক সদস্যের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বড় বোন কামরুন্নাহার বলেন, “অনেক সময় মনে হয়েছে হয়তো ভাইকে আর ফিরে পাবো না। আজ তাকে সামনে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পড়েছেন, এখন ভাইকে তাকে কাছে দিতে পারলে স্বস্তি পাবো। ভেতরে যারা আছে তারাও যেন দ্রুত মুক্তি পায়।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালে বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। খালাস পান ২৭৮ জন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৯ বিয়ে করা মুফতী কাসেমী যেভাবে মাদানীর শ্বশুর হলেন

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় জামিনে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরও ৩৫ সাবেক সদস্য

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিডিআরের সাবেক ৩৫ সদস্য। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন। মুক্তির মুহূর্তে কারাফটকের সামনে উপস্থিত ছিলেন তাদের স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাদের মুক্ত করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা এবং পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন ২ জন ও ৩২ জন সাবেক সদস্যের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বড় বোন কামরুন্নাহার বলেন, “অনেক সময় মনে হয়েছে হয়তো ভাইকে আর ফিরে পাবো না। আজ তাকে সামনে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পড়েছেন, এখন ভাইকে তাকে কাছে দিতে পারলে স্বস্তি পাবো। ভেতরে যারা আছে তারাও যেন দ্রুত মুক্তি পায়।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালে বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। খালাস পান ২৭৮ জন।