ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দক্ষিণ সিটিতে উত্তরের রিকশা চলবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক রাষ্ট্র হিসেবে অস্তিত্ব বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে ইসরায়েল: রুশ জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা মানেই যুদ্ধে অংশ নেয়া: উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের হুঁশিয়ারি আট মাসে ইমরান খানের সঙ্গে স্ত্রীর প্রথম দেখা, কথা হলো ৩৫ মিনিট দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদন: ঢাকার চাপে অবস্থান বদলাচ্ছে ভারত ‘ইমাম-উলামা’দের চাপে কনসার্টের অনুমতি বাতিল বর্তমান সরকারের আমলের মতো স্বাধীন গণমাধ্যম চর্চা আর কখনও ছিল না: তথ্যমন্ত্রী খাবারে লবণের পরিবর্তে ডিটারজেন্ট, হাসপাতালে ভর্তি ৪০ শিক্ষার্থী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাগারে মেয়ে ও আইনজীবী

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় জামিনে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরও ৩৫ সাবেক সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৩০ বার পড়া হয়েছে

 

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিডিআরের সাবেক ৩৫ সদস্য। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন। মুক্তির মুহূর্তে কারাফটকের সামনে উপস্থিত ছিলেন তাদের স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাদের মুক্ত করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা এবং পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন ২ জন ও ৩২ জন সাবেক সদস্যের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বড় বোন কামরুন্নাহার বলেন, “অনেক সময় মনে হয়েছে হয়তো ভাইকে আর ফিরে পাবো না। আজ তাকে সামনে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পড়েছেন, এখন ভাইকে তাকে কাছে দিতে পারলে স্বস্তি পাবো। ভেতরে যারা আছে তারাও যেন দ্রুত মুক্তি পায়।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালে বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। খালাস পান ২৭৮ জন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ সিটিতে উত্তরের রিকশা চলবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় জামিনে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আরও ৩৫ সাবেক সদস্য

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিডিআরের সাবেক ৩৫ সদস্য। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন। মুক্তির মুহূর্তে কারাফটকের সামনে উপস্থিত ছিলেন তাদের স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে আজ মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাদের মুক্ত করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা এবং পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন ২ জন ও ৩২ জন সাবেক সদস্যের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুক্তিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বড় বোন কামরুন্নাহার বলেন, “অনেক সময় মনে হয়েছে হয়তো ভাইকে আর ফিরে পাবো না। আজ তাকে সামনে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই। বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পড়েছেন, এখন ভাইকে তাকে কাছে দিতে পারলে স্বস্তি পাবো। ভেতরে যারা আছে তারাও যেন দ্রুত মুক্তি পায়।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জন ছিলেন সেনা কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালে বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। খালাস পান ২৭৮ জন।