ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের কোক স্টুডিও সেরা: আতিফ আসলাম দেশে তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা আসিফের দু/র্নী/তি/কা/ণ্ডে সচিবসহ ফেঁ/সে যাচ্ছেন যেসব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশে প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাস সংকটে নরসিংদীতে কাঠ পুড়িয়ে শতাধিক কারখানা সচলের চেষ্টা স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা এনসিপির বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল জামালপুরে রাজিব বাস ইস্যুতে এনসিপির মানববন্ধনে হামলা জ্বালানি পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়াতে ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে আইডিবি এমপি হয়ে প্রথমবার সংসদে নিজ দপ্তরে মির্জা আব্বাস

কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মসজিদ ও কুরআন অক্ষত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বুধবার (২৫ নভেম্বর) ভয়াবহ আগুনে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আগুনে পুড়ে গেছে বাসা-বাড়ি, দোকানপাট, পোষা সামগ্রী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তবে আশ্চর্যজনকভাবে মসজিদ এবং পবিত্র কুরআনের হরফ অক্ষত রয়েছে, যা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর কাছে স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের পথে না থাকার কারণে তা নিরাপদ থাকে। আশেপাশের ঘরবাড়ি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও মসজিদ এবং কুরআনের কপি অক্ষত থাকে। স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংস্থা দ্রুত কার্যক্রমে নেমে আগুনের সময় মসজিদ ও ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরানোর ব্যবস্থা করে।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ এটিকে আল্লাহর রহমত ও অদ্ভুত রক্ষা হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন ও জরুরি সহায়তার দাবি উঠেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের কোক স্টুডিও সেরা: আতিফ আসলাম

কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মসজিদ ও কুরআন অক্ষত

আপডেট সময় ১০:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বুধবার (২৫ নভেম্বর) ভয়াবহ আগুনে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আগুনে পুড়ে গেছে বাসা-বাড়ি, দোকানপাট, পোষা সামগ্রী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তবে আশ্চর্যজনকভাবে মসজিদ এবং পবিত্র কুরআনের হরফ অক্ষত রয়েছে, যা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর কাছে স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের পথে না থাকার কারণে তা নিরাপদ থাকে। আশেপাশের ঘরবাড়ি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও মসজিদ এবং কুরআনের কপি অক্ষত থাকে। স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংস্থা দ্রুত কার্যক্রমে নেমে আগুনের সময় মসজিদ ও ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরানোর ব্যবস্থা করে।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ এটিকে আল্লাহর রহমত ও অদ্ভুত রক্ষা হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন ও জরুরি সহায়তার দাবি উঠেছে।