ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণ উপলক্ষে ৪০ হাজার মানুষকে খাওনো হলো বিরিয়ানি জনতার ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন: রেজাউল করীম বেগম জিয়ার খোঁজ নিতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাজেট ৩০০ কোটি, এক ব্যবসায়ীই দিবেন ৮০ কোটি টাকা তফসিল এ সপ্তাহেই, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি সানাউল্লাহ টাকা, প্রভাবশালী মামা-খালু-শ্বশুর না থাকলে রাজনীতি কইরেন না: দুধ দিয়ে গোসল যুবদল নেতার নিজ এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার স্লোগান ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’ ভয়াবহ হামলায় একদিনে ১৪৫০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বিকেলে এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা ঘরে ঢুকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মসজিদ ও কুরআন অক্ষত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বুধবার (২৫ নভেম্বর) ভয়াবহ আগুনে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আগুনে পুড়ে গেছে বাসা-বাড়ি, দোকানপাট, পোষা সামগ্রী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তবে আশ্চর্যজনকভাবে মসজিদ এবং পবিত্র কুরআনের হরফ অক্ষত রয়েছে, যা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর কাছে স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের পথে না থাকার কারণে তা নিরাপদ থাকে। আশেপাশের ঘরবাড়ি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও মসজিদ এবং কুরআনের কপি অক্ষত থাকে। স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংস্থা দ্রুত কার্যক্রমে নেমে আগুনের সময় মসজিদ ও ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরানোর ব্যবস্থা করে।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ এটিকে আল্লাহর রহমত ও অদ্ভুত রক্ষা হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন ও জরুরি সহায়তার দাবি উঠেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণ উপলক্ষে ৪০ হাজার মানুষকে খাওনো হলো বিরিয়ানি

কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মসজিদ ও কুরআন অক্ষত

আপডেট সময় ১০:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বুধবার (২৫ নভেম্বর) ভয়াবহ আগুনে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আগুনে পুড়ে গেছে বাসা-বাড়ি, দোকানপাট, পোষা সামগ্রী এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তবে আশ্চর্যজনকভাবে মসজিদ এবং পবিত্র কুরআনের হরফ অক্ষত রয়েছে, যা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর কাছে স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের পথে না থাকার কারণে তা নিরাপদ থাকে। আশেপাশের ঘরবাড়ি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও মসজিদ এবং কুরআনের কপি অক্ষত থাকে। স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংস্থা দ্রুত কার্যক্রমে নেমে আগুনের সময় মসজিদ ও ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরানোর ব্যবস্থা করে।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ এটিকে আল্লাহর রহমত ও অদ্ভুত রক্ষা হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন ও জরুরি সহায়তার দাবি উঠেছে।