ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তিন দিনের উত্তেজনার পর থামছে সংঘাত, মঙ্গলবার মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ভারতীয় ভিসা আবেদন জমার শুরু, প্রথম দিনেই দীর্ঘ লাইন ‘ভিসা আমরা চিরদিনই দিতাম, বাংলাদেশকে আমাদেরই অঙ্গ মনে করি’ আসিফ মাহমুদ আমাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব নিতে রাজি করিয়েছিলেন: ড. ইউনূস ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫০০ ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পে আর্জেন্টাইন ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তান নিহত বাংলাদেশ বুঝতে পেরেছে, ক্ষতিটা ওদেরই হয়েছে: দিলীপ ঘোষ জাপান-ব্রাজিল হাইভোল্টেজ ম্যাচে জিতবে কে, অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী আমার জীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি : শেখ হাসিনা লেবানিজদের ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করছে ইসরাইল, ইউনেস্কোর উদ্বেগ

জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৭৬ বার পড়া হয়েছে

নাটক, সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন অভিনেতা ও চিকিৎসক ডা. এজাজ। তবে সম্প্রতি ‘খাঁটি-ঘি’ নামের একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। পণ্যটির নিম্নমান ও প্রতারণার অভিযোগ ওঠায় যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেন—ডা. এজাজকে দেখে তারা ‘খাঁটি-ঘি’ থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের ও ভেজাল দ্রব্য। এক ঢাকাই গ্রাহক বলেন, “অনলাইনে বিজ্ঞাপনে বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।”

বিষয়টি নজরে আসতেই ডা. এজাজ হতাশা প্রকাশ করেন। ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, “ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানায়, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। বিজ্ঞাপনের সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল। তাই আমি বিশ্বাস করেছিলাম।”

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই ধরে নিয়েছিলেন যে পণ্যটি মানসম্মত ও পরীক্ষিত। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তিনি এখন নিজেই ভোক্তা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

ডা. এজাজ বলেন, “যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ভোক্তার সাথে প্রতারণা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

এদিকে অভিযোগের পরও বিজ্ঞাপনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে প্রতিষ্ঠানটিকে অনুরোধ করেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাননি তিনি। বিষয়টি তিনি পুনরায় ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছেন।

সবশেষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি—জীবনে আর কখনো খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসা যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন দিনের উত্তেজনার পর থামছে সংঘাত, মঙ্গলবার মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ

আপডেট সময় ০৩:১৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

নাটক, সিনেমা ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন অভিনেতা ও চিকিৎসক ডা. এজাজ। তবে সম্প্রতি ‘খাঁটি-ঘি’ নামের একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। পণ্যটির নিম্নমান ও প্রতারণার অভিযোগ ওঠায় যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেন—ডা. এজাজকে দেখে তারা ‘খাঁটি-ঘি’ থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের ও ভেজাল দ্রব্য। এক ঢাকাই গ্রাহক বলেন, “অনলাইনে বিজ্ঞাপনে বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।”

বিষয়টি নজরে আসতেই ডা. এজাজ হতাশা প্রকাশ করেন। ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, “ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানায়, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। বিজ্ঞাপনের সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল। তাই আমি বিশ্বাস করেছিলাম।”

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই ধরে নিয়েছিলেন যে পণ্যটি মানসম্মত ও পরীক্ষিত। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তিনি এখন নিজেই ভোক্তা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

ডা. এজাজ বলেন, “যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ভোক্তার সাথে প্রতারণা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

এদিকে অভিযোগের পরও বিজ্ঞাপনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে প্রতিষ্ঠানটিকে অনুরোধ করেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাননি তিনি। বিষয়টি তিনি পুনরায় ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছেন।

সবশেষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি—জীবনে আর কখনো খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসা যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে।”