ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

হাদিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হত্যা করা হতে পারে: ডিবিপ্রধান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৮০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হতে পারে। তিনি মনে করছেন, ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য নাও থাকতে পারে।
আজ রবিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ এবং দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিবি প্রধান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “ঘটনার শুরু থেকেই আমরা মাঠে কাজ করছি। সব এজেন্সি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ঘটনার সম্ভাব্য সব দিক আমরা গুরুত্বসহকারে যাচাই করছি।”
হাদির হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। ডিবি প্রধান জানান, “অপরাধীরা তাদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। ফয়সালের পিতার দ্বারা মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট পরিবর্তনের তথ্য আমরা খুঁজে পেয়েছি।”
এ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চেক সংক্রান্ত তদন্তে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে চেক থাকলেও কোনো অ্যাকাউন্টে টাকা নেই এবং অনেক চেক তারিখ ছাড়া সাইন করা।
অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, ফয়সালের শেষ অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনও নেই। তবে দেশের বাইরে চলে গেছে এমন তথ্যও এখনও নিশ্চিত নয়।
র‍্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, হত্যার দিন ফয়সাল নরসিংদীর গ্রিনজোন রিসোর্ট থেকে ঢাকার আগারগাঁও বোনের বাসায় আসে। হত্যাকাণ্ডের পর পিস্তল সংক্রান্ত ব্যাগটি ফয়সাল ফেলে দেয়।
বিজিবি ময়মনসিংহ রিজিয়নের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযানে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনেকেই চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত।
উল্লেখ্য, ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ২০ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা হচ্ছে না ‘জাপানি মেসির’

হাদিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হত্যা করা হতে পারে: ডিবিপ্রধান

আপডেট সময় ০৭:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হতে পারে। তিনি মনে করছেন, ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য নাও থাকতে পারে।
আজ রবিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ এবং দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিবি প্রধান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “ঘটনার শুরু থেকেই আমরা মাঠে কাজ করছি। সব এজেন্সি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ঘটনার সম্ভাব্য সব দিক আমরা গুরুত্বসহকারে যাচাই করছি।”
হাদির হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। ডিবি প্রধান জানান, “অপরাধীরা তাদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। ফয়সালের পিতার দ্বারা মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট পরিবর্তনের তথ্য আমরা খুঁজে পেয়েছি।”
এ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চেক সংক্রান্ত তদন্তে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে চেক থাকলেও কোনো অ্যাকাউন্টে টাকা নেই এবং অনেক চেক তারিখ ছাড়া সাইন করা।
অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, ফয়সালের শেষ অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনও নেই। তবে দেশের বাইরে চলে গেছে এমন তথ্যও এখনও নিশ্চিত নয়।
র‍্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, হত্যার দিন ফয়সাল নরসিংদীর গ্রিনজোন রিসোর্ট থেকে ঢাকার আগারগাঁও বোনের বাসায় আসে। হত্যাকাণ্ডের পর পিস্তল সংক্রান্ত ব্যাগটি ফয়সাল ফেলে দেয়।
বিজিবি ময়মনসিংহ রিজিয়নের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযানে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনেকেই চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত।
উল্লেখ্য, ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ২০ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশে তাকে দাফন করা হয়।