ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী সঙ্গীর বাসায় গুলিবিদ্ধ হন এনসিপি নেতা, পাওয়া গেছে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলামত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খুলনা বিভাগের প্রধান মোতালেব শিকদার সোমবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে গুলিবিদ্ধ হন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় রাজনৈতিক কোনো প্রাসঙ্গিকতা পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত এবং খুলনা মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন; সিটি স্ক্যান রিপোর্টও স্বাভাবিক।

শুরুতে মোতালেবকে রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা বলা হলেও, কেএমপি পরে নিশ্চিত করে বলেন, তিনি আসলে ‘মুক্তা হাউজ’ নামক একটি বাসার নিচতলায় গুলিবিদ্ধ হন। এটি তার নারী সঙ্গী তন্বীর ভাড়া ফ্ল্যাট, যেখানে তিনি দু’মাস ধরে বসবাস করছিলেন। পুলিশ তদন্তে বাসা থেকে পাঁচটি খালি বিদেশি মদের বোতল, একটি পিস্তলের খোসা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলামত উদ্ধার করেছে।

এদিকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুজন ব্যক্তি ঘটনার আগের রাতে বাসায় প্রবেশ করেছিলেন। তদন্তে জানা যায়, মোতালেব পূর্বে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অনুসারী সৌরভ ও তার সহযোগীদের সঙ্গে চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিলেন। বিরোধ ও চাঁদার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সঙ্ঘাতের কারণে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।

এ ব্যাপারে কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ বিভাগ) তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক কোনো কারণ পাওয়া যায়নি, তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বাসার মালিকের স্ত্রী আশরাফুন্নাহারের বক্তব্য অনুযায়ী, তন্বী নামে একজন তরুণী বাসাটি ভাড়া নিয়ে ছিলেন এবং নিজেকে এনজিওকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরে তার অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ছাড়ার আগেই এই ঘটনা ঘটে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী সঙ্গীর বাসায় গুলিবিদ্ধ হন এনসিপি নেতা, পাওয়া গেছে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলামত

আপডেট সময় ০৫:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খুলনা বিভাগের প্রধান মোতালেব শিকদার সোমবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে গুলিবিদ্ধ হন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় রাজনৈতিক কোনো প্রাসঙ্গিকতা পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত এবং খুলনা মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন; সিটি স্ক্যান রিপোর্টও স্বাভাবিক।

শুরুতে মোতালেবকে রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা বলা হলেও, কেএমপি পরে নিশ্চিত করে বলেন, তিনি আসলে ‘মুক্তা হাউজ’ নামক একটি বাসার নিচতলায় গুলিবিদ্ধ হন। এটি তার নারী সঙ্গী তন্বীর ভাড়া ফ্ল্যাট, যেখানে তিনি দু’মাস ধরে বসবাস করছিলেন। পুলিশ তদন্তে বাসা থেকে পাঁচটি খালি বিদেশি মদের বোতল, একটি পিস্তলের খোসা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলামত উদ্ধার করেছে।

এদিকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুজন ব্যক্তি ঘটনার আগের রাতে বাসায় প্রবেশ করেছিলেন। তদন্তে জানা যায়, মোতালেব পূর্বে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অনুসারী সৌরভ ও তার সহযোগীদের সঙ্গে চাঁদাবাজিতে জড়িত ছিলেন। বিরোধ ও চাঁদার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সঙ্ঘাতের কারণে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।

এ ব্যাপারে কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ বিভাগ) তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক কোনো কারণ পাওয়া যায়নি, তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বাসার মালিকের স্ত্রী আশরাফুন্নাহারের বক্তব্য অনুযায়ী, তন্বী নামে একজন তরুণী বাসাটি ভাড়া নিয়ে ছিলেন এবং নিজেকে এনজিওকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরে তার অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ছাড়ার আগেই এই ঘটনা ঘটে।