ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন: মীর শাহে আলম গত ১৭ বছরে মতপ্রকাশের সুযোগ ছিল শুধু একজন ও একটি দলের: রিজভী

ঈদের খুশিতে নেই আপনজন, শান্তি নিবাসে চোখের জলে নিঃসঙ্গ বাবা-মা”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • ৪৫৮ বার পড়া হয়েছে

বৃদ্ধাশ্রমে আছে ঈদের সামান্য আয়োজন, কিন্তু নেই প্রিয়জনের ভালোবাসা। আর তাই চোখের জলে নিঃসঙ্গ ঈদ কাটছে সেখানকার অসহায় বাবা-মার। শান্তি নিবাসের চার দেয়ালের মাঝে প্রিয় সন্তানের মুখখানি একটিবার দেখার অপেক্ষায় কাটছে ঈদের দিনগুলো। অতীতের সুখস্মৃতি আঁকড়ে ধরে নীরব কান্নায় ডুবে আছেন তারা।

ঈদুল আজহার দিনেও সন্তানরা কেউ খোঁজ নেয়নি। অথচ একদিন যাদের জন্য জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিলেন, আজ তারাই যেন ভুলে গেছে তাদের অস্তিত্ব। ফরিদপুরের শান্তি নিবাসে বাস করা এসব বৃদ্ধ মা-বাবা সন্তানের প্রতি ক্ষোভ লুকিয়ে রেখে, এখনো তাদের ভালো রাখার দোয়া করছেন।

শান্তি নিবাসে রয়েছেন ষাটোর্ধ্ব বকুল বেগম। অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন, নিজে খেতেও পারেন না। সৎ সন্তানের অবহেলায় ঠাঁই হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। এক সময় আদর-যত্ন করলেও, সৎ মায়ের কপালে জুটেছে একাকীত্ব আর অবহেলা। কেউ তার খোঁজ নেয় না এখন।

আরও রয়েছেন লতিফ শিকদার, বয়স ৬০ বছর। এক বছর ধরে আছেন শান্তি নিবাসে। নড়াইলের এই বৃদ্ধ একসময় দর্জির কাজ করে সন্তানদের বড় করেছেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্তানরা হাসপাতালে নিয়ে গেলেও পরে আর খবর রাখেনি। এখন কথা বলতে পারেন না তিনি, তবে সন্তানদের নাম শুনলেই তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

এই বৃদ্ধ বাবা-মার চাওয়া খুব বেশি নয়—একটু খোঁজ, একটু ভালোবাসা। অথচ ঈদের দিনও সেই সামান্য চাওয়াটুকুও মেলেনি। শান্তি নিবাসে কাটছে নিঃসঙ্গ আর বিষণ্ন ঈদ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস

ঈদের খুশিতে নেই আপনজন, শান্তি নিবাসে চোখের জলে নিঃসঙ্গ বাবা-মা”

আপডেট সময় ১২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

বৃদ্ধাশ্রমে আছে ঈদের সামান্য আয়োজন, কিন্তু নেই প্রিয়জনের ভালোবাসা। আর তাই চোখের জলে নিঃসঙ্গ ঈদ কাটছে সেখানকার অসহায় বাবা-মার। শান্তি নিবাসের চার দেয়ালের মাঝে প্রিয় সন্তানের মুখখানি একটিবার দেখার অপেক্ষায় কাটছে ঈদের দিনগুলো। অতীতের সুখস্মৃতি আঁকড়ে ধরে নীরব কান্নায় ডুবে আছেন তারা।

ঈদুল আজহার দিনেও সন্তানরা কেউ খোঁজ নেয়নি। অথচ একদিন যাদের জন্য জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিলেন, আজ তারাই যেন ভুলে গেছে তাদের অস্তিত্ব। ফরিদপুরের শান্তি নিবাসে বাস করা এসব বৃদ্ধ মা-বাবা সন্তানের প্রতি ক্ষোভ লুকিয়ে রেখে, এখনো তাদের ভালো রাখার দোয়া করছেন।

শান্তি নিবাসে রয়েছেন ষাটোর্ধ্ব বকুল বেগম। অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন, নিজে খেতেও পারেন না। সৎ সন্তানের অবহেলায় ঠাঁই হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। এক সময় আদর-যত্ন করলেও, সৎ মায়ের কপালে জুটেছে একাকীত্ব আর অবহেলা। কেউ তার খোঁজ নেয় না এখন।

আরও রয়েছেন লতিফ শিকদার, বয়স ৬০ বছর। এক বছর ধরে আছেন শান্তি নিবাসে। নড়াইলের এই বৃদ্ধ একসময় দর্জির কাজ করে সন্তানদের বড় করেছেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্তানরা হাসপাতালে নিয়ে গেলেও পরে আর খবর রাখেনি। এখন কথা বলতে পারেন না তিনি, তবে সন্তানদের নাম শুনলেই তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

এই বৃদ্ধ বাবা-মার চাওয়া খুব বেশি নয়—একটু খোঁজ, একটু ভালোবাসা। অথচ ঈদের দিনও সেই সামান্য চাওয়াটুকুও মেলেনি। শান্তি নিবাসে কাটছে নিঃসঙ্গ আর বিষণ্ন ঈদ।