ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আবারও রাজপথে নামতে হতে পারে: সারজিস ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর রুটে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্থানীয় নির্বাচনে পুলিশকে বেআইনি নির্দেশনা দেবে না ইসি: সিইসি মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট সরকারি চাকরির নিয়োগবিধি পরিবর্তন, নতুন বৈষম্যের শঙ্কায় নাহিদ ইসলাম লিফটে ‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ বলা নিয়ে কথা-কাটাকাটি, পরে তুমুল মারামারি দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশের ইলিশ চায় ভারত ইরান যুদ্ধ না থামলে জ্বালানি সংকট সমাধান সম্ভব নয়: রিজভী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নোংরা ভাষায় জবাব দেওয়া ঠিক হয়নি: রাশেদ খাঁন

ঈদের খুশিতে নেই আপনজন, শান্তি নিবাসে চোখের জলে নিঃসঙ্গ বাবা-মা”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

বৃদ্ধাশ্রমে আছে ঈদের সামান্য আয়োজন, কিন্তু নেই প্রিয়জনের ভালোবাসা। আর তাই চোখের জলে নিঃসঙ্গ ঈদ কাটছে সেখানকার অসহায় বাবা-মার। শান্তি নিবাসের চার দেয়ালের মাঝে প্রিয় সন্তানের মুখখানি একটিবার দেখার অপেক্ষায় কাটছে ঈদের দিনগুলো। অতীতের সুখস্মৃতি আঁকড়ে ধরে নীরব কান্নায় ডুবে আছেন তারা।

ঈদুল আজহার দিনেও সন্তানরা কেউ খোঁজ নেয়নি। অথচ একদিন যাদের জন্য জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিলেন, আজ তারাই যেন ভুলে গেছে তাদের অস্তিত্ব। ফরিদপুরের শান্তি নিবাসে বাস করা এসব বৃদ্ধ মা-বাবা সন্তানের প্রতি ক্ষোভ লুকিয়ে রেখে, এখনো তাদের ভালো রাখার দোয়া করছেন।

শান্তি নিবাসে রয়েছেন ষাটোর্ধ্ব বকুল বেগম। অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন, নিজে খেতেও পারেন না। সৎ সন্তানের অবহেলায় ঠাঁই হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। এক সময় আদর-যত্ন করলেও, সৎ মায়ের কপালে জুটেছে একাকীত্ব আর অবহেলা। কেউ তার খোঁজ নেয় না এখন।

আরও রয়েছেন লতিফ শিকদার, বয়স ৬০ বছর। এক বছর ধরে আছেন শান্তি নিবাসে। নড়াইলের এই বৃদ্ধ একসময় দর্জির কাজ করে সন্তানদের বড় করেছেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্তানরা হাসপাতালে নিয়ে গেলেও পরে আর খবর রাখেনি। এখন কথা বলতে পারেন না তিনি, তবে সন্তানদের নাম শুনলেই তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

এই বৃদ্ধ বাবা-মার চাওয়া খুব বেশি নয়—একটু খোঁজ, একটু ভালোবাসা। অথচ ঈদের দিনও সেই সামান্য চাওয়াটুকুও মেলেনি। শান্তি নিবাসে কাটছে নিঃসঙ্গ আর বিষণ্ন ঈদ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আবারও রাজপথে নামতে হতে পারে: সারজিস

ঈদের খুশিতে নেই আপনজন, শান্তি নিবাসে চোখের জলে নিঃসঙ্গ বাবা-মা”

আপডেট সময় ১২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

বৃদ্ধাশ্রমে আছে ঈদের সামান্য আয়োজন, কিন্তু নেই প্রিয়জনের ভালোবাসা। আর তাই চোখের জলে নিঃসঙ্গ ঈদ কাটছে সেখানকার অসহায় বাবা-মার। শান্তি নিবাসের চার দেয়ালের মাঝে প্রিয় সন্তানের মুখখানি একটিবার দেখার অপেক্ষায় কাটছে ঈদের দিনগুলো। অতীতের সুখস্মৃতি আঁকড়ে ধরে নীরব কান্নায় ডুবে আছেন তারা।

ঈদুল আজহার দিনেও সন্তানরা কেউ খোঁজ নেয়নি। অথচ একদিন যাদের জন্য জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিলেন, আজ তারাই যেন ভুলে গেছে তাদের অস্তিত্ব। ফরিদপুরের শান্তি নিবাসে বাস করা এসব বৃদ্ধ মা-বাবা সন্তানের প্রতি ক্ষোভ লুকিয়ে রেখে, এখনো তাদের ভালো রাখার দোয়া করছেন।

শান্তি নিবাসে রয়েছেন ষাটোর্ধ্ব বকুল বেগম। অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন, নিজে খেতেও পারেন না। সৎ সন্তানের অবহেলায় ঠাঁই হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। এক সময় আদর-যত্ন করলেও, সৎ মায়ের কপালে জুটেছে একাকীত্ব আর অবহেলা। কেউ তার খোঁজ নেয় না এখন।

আরও রয়েছেন লতিফ শিকদার, বয়স ৬০ বছর। এক বছর ধরে আছেন শান্তি নিবাসে। নড়াইলের এই বৃদ্ধ একসময় দর্জির কাজ করে সন্তানদের বড় করেছেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্তানরা হাসপাতালে নিয়ে গেলেও পরে আর খবর রাখেনি। এখন কথা বলতে পারেন না তিনি, তবে সন্তানদের নাম শুনলেই তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।

এই বৃদ্ধ বাবা-মার চাওয়া খুব বেশি নয়—একটু খোঁজ, একটু ভালোবাসা। অথচ ঈদের দিনও সেই সামান্য চাওয়াটুকুও মেলেনি। শান্তি নিবাসে কাটছে নিঃসঙ্গ আর বিষণ্ন ঈদ।