ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

নারীদেরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, জামায়াত নেতার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল।’

এদিকে জামায়াত নেতার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায়-আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়, তখন তার কোনো প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।

তিনি বলেন, ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোনো সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা তাদের ‘বাপ’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

নারীদেরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, জামায়াত নেতার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল।’

এদিকে জামায়াত নেতার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায়-আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়, তখন তার কোনো প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।

তিনি বলেন, ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোনো সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা তাদের ‘বাপ’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’