ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চিকি/ৎসার নামে লন্ডনে, আর সময় কাটছে শপিংয়ে— রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে বিতর্ক ‘রবার্ট ক্লাইভ-মীর জাফরের চুক্তির মতোই ইউনূসের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি’ পাকিস্তানের ‘জেএফ-১৭ ব্লক ৩’ সিমুলেটর ঢাকায়, যুদ্ধবিমান চুক্তির ইঙ্গিত দেখছেন বিশ্লেষকরা স্ত্রীর পরকীয়া, ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জীবন দিলেন ব্যবসায়ী চীন থেকে দেশে ফেরার পথেই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি মেসি আর খেলবেন না, ভাবতেই মন খারাপ হয় কোচ স্ক্যালোনির কারিনা, তোমার মতো সাহসী মানুষের দরকার ছিল বাংলাদেশে: তাসনিম জারা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তি আর আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের চুক্তি একইঃ ফজলুর রহমান ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ( ১৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে এমন বার্তা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগ উপলক্ষ্যে আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এই মহান দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রমাণ এবং দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাদের ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ।

ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে গভীর প্রোথিত বন্ধুত্ব, যা আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আমাদের নিজ নিজ উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রে পথনির্দেশক নীতি হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমাদের বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং যোগাযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকি/ৎসার নামে লন্ডনে, আর সময় কাটছে শপিংয়ে— রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে বিতর্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি

আপডেট সময় ০৯:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ( ১৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে এমন বার্তা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগ উপলক্ষ্যে আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এই মহান দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রমাণ এবং দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাদের ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ।

ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে গভীর প্রোথিত বন্ধুত্ব, যা আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আমাদের নিজ নিজ উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রে পথনির্দেশক নীতি হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমাদের বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং যোগাযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছি।