ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শান্তি আলোচনায় বাগবিতণ্ডা, হাতাহাতি লেগে যাচ্ছিল আরাঘচি ও উইটকফের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা আলোর মুখ দেখেনি। কোনো চুক্তি ছাড়াই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছে দুই দেশের প্রতিনিধি দল। ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ এই আলোচনায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল বলে জানা গেছে। শুরুটা শান্তিপূর্ণভাবে হলেও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের দুই দলকে আলাদা করতে হয়। ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যম ইসরাইল হায়োমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠক শুরু হয়েছিল ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যে হ্যান্ডশেক দিয়ে। চা ও নাস্তার আয়োজনও ছিল।

কিন্তু দ্রুতই পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনারের সঙ্গে আব্বাস আরাগচির আলোচনা বাগবিতণ্ডায় দিকে গড়ায়। পরে তা চিৎকারে পরিণত হয়। তুর্কি সাংবাদিক সেতিনের সেতিন এক্সে দাবি করেছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি ও উইটকফের মধ্যে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রায় হাতাহাতি বেধে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি লিখেছেন, ‘হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে মারাত্মক মতবিরোধের কারণে এই উত্তেজনা হয়েছে। ইরানকে কখনো হুমকি দিও না।

২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়েন ভ্যান্স। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।তিনি দায় চাপিয়েছেন তেহরানের উপর, বলেছেন ইরান মার্কিন শর্ত মানতে রাজি হয়নি। পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোরদৃঢ় প্রতিশ্রুতিএখনো পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

নিউইয়র্ক টাইমস ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তিনটি বিষয়ে মূল বিরোধ রয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের ভবিষ্যৎ এবং প্রায় ২৭০ কোটি ডলারের জমাট সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার দাবি। যুক্তরাষ্ট্র প্রণালি এখনই খুলে দিতে বলেছিল। ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, বৃহত্তর চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কিছু বদলাবে না। সূত্রইসরাইল ওয়ার্ল্ড নিউজ

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তি আলোচনায় বাগবিতণ্ডা, হাতাহাতি লেগে যাচ্ছিল আরাঘচি ও উইটকফের

আপডেট সময় ১০:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

এবার ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা আলোর মুখ দেখেনি। কোনো চুক্তি ছাড়াই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছে দুই দেশের প্রতিনিধি দল। ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ এই আলোচনায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল বলে জানা গেছে। শুরুটা শান্তিপূর্ণভাবে হলেও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের দুই দলকে আলাদা করতে হয়। ইসরাইলি সংবাদ মাধ্যম ইসরাইল হায়োমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠক শুরু হয়েছিল ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যে হ্যান্ডশেক দিয়ে। চা ও নাস্তার আয়োজনও ছিল।

কিন্তু দ্রুতই পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনারের সঙ্গে আব্বাস আরাগচির আলোচনা বাগবিতণ্ডায় দিকে গড়ায়। পরে তা চিৎকারে পরিণত হয়। তুর্কি সাংবাদিক সেতিনের সেতিন এক্সে দাবি করেছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি ও উইটকফের মধ্যে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রায় হাতাহাতি বেধে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি লিখেছেন, ‘হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে মারাত্মক মতবিরোধের কারণে এই উত্তেজনা হয়েছে। ইরানকে কখনো হুমকি দিও না।

২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়েন ভ্যান্স। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।তিনি দায় চাপিয়েছেন তেহরানের উপর, বলেছেন ইরান মার্কিন শর্ত মানতে রাজি হয়নি। পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোরদৃঢ় প্রতিশ্রুতিএখনো পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

নিউইয়র্ক টাইমস ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তিনটি বিষয়ে মূল বিরোধ রয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের ভবিষ্যৎ এবং প্রায় ২৭০ কোটি ডলারের জমাট সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার দাবি। যুক্তরাষ্ট্র প্রণালি এখনই খুলে দিতে বলেছিল। ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, বৃহত্তর চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কিছু বদলাবে না। সূত্রইসরাইল ওয়ার্ল্ড নিউজ