ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আরব আমিরাতে জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেছে আজ ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস, মাত্র ৮ বিডিআরের সদস্যের কাছে পরাজিত হয়েছিল ভারতীয় বাহিনী দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত প্রবাসীর স্ত্রী, ‘মরে যাওয়ার ভান’ করে প্রাণে বাঁচল শিশু আবির বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় মাস্টার্স পরীক্ষা, ভিডিও ভাইরাল শিরীন শারমিনের জামিন ভালো সিদ্ধান্ত: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বরত অবস্থায় নিজের মাথায় গুলি করে জীবন দিলেন পুলিশ সদস্য এমন কোনো লোভ ছিল না, যেটা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি: স্পিকার আমার স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে: রাশেদ প্রধান সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপিকে আসন ছাড়ছে জামায়াত, মনোনয়ন পাচ্ছেন মাহমুদা-মনিরা

বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুর মাংস খাওয়া চলবে না: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর হুমকি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে খাদ্যাভ্যাসের প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্তব্য করেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে। তার এ বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কোচবিহারের নির্বাচনি জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর যাই হোক, গরুর মাংস খাওয়া চলবে না। অনেকেই মনে করছেন, মেরূকরণের রাজনীতিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতেই গরুর মাংসকে হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ‘নিরামিষাশীদলের তকমা পাওয়া বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে দলটির নেতারা বিভিন্ন সময়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন। হিমন্ত শর্মার সাম্প্রতিক বার্তায় সেটাই স্পষ্ট হলো। তিনি অবশ্য দাবি করেন, তৃণমূল এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আসামে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকলেও সাধারণভাবে মাছমাংস খাওয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে গরুকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই বাংলার ক্ষমতায় পরিবর্তন এলে গরুর মাংস খাওয়া ও গরু পাচারদুইই কঠোর হাতে বন্ধ করা হবে।

তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মাংস খাওয়া বন্ধ হবে না, কেবল গোমাংসের কারবার বন্ধ হবে জেনেই ভয় পাচ্ছেনদিদিরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্যে একদিকে বাঙালির আমিষভোজী সংস্কৃতিকে সরাসরি আঘাত না করে অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে আনার কৌশল দেখা যাচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য ইস্যুর পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠছে। এছাড়া হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গরু পাচার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আরব আমিরাতে জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেছে

বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে গরুর মাংস খাওয়া চলবে না: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর হুমকি

আপডেট সময় ১০:৫৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে খাদ্যাভ্যাসের প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্তব্য করেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে। তার এ বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কোচবিহারের নির্বাচনি জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর যাই হোক, গরুর মাংস খাওয়া চলবে না। অনেকেই মনে করছেন, মেরূকরণের রাজনীতিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতেই গরুর মাংসকে হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ‘নিরামিষাশীদলের তকমা পাওয়া বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে দলটির নেতারা বিভিন্ন সময়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন। হিমন্ত শর্মার সাম্প্রতিক বার্তায় সেটাই স্পষ্ট হলো। তিনি অবশ্য দাবি করেন, তৃণমূল এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আসামে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকলেও সাধারণভাবে মাছমাংস খাওয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে গরুকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই বাংলার ক্ষমতায় পরিবর্তন এলে গরুর মাংস খাওয়া ও গরু পাচারদুইই কঠোর হাতে বন্ধ করা হবে।

তিনি দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মাংস খাওয়া বন্ধ হবে না, কেবল গোমাংসের কারবার বন্ধ হবে জেনেই ভয় পাচ্ছেনদিদিরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্যে একদিকে বাঙালির আমিষভোজী সংস্কৃতিকে সরাসরি আঘাত না করে অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে আনার কৌশল দেখা যাচ্ছে। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য ইস্যুর পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠছে। এছাড়া হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গরু পাচার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।