ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চুরির অভিযোগে তিনজনকে হাত-পা বেঁধে পিটুনি, চোখে ঢালা হলো চুনের পানি বাক্‌স্বাধীনতা যেন বাক্ শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা আলজেরিয়ার পাটওয়ারীর গাড়ি ব্যবহার নিয়ে বিতর্কে আলোচনায় আসা সেই তুষার ভূঁইয়াকেই মাদারীপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক করল এনসিপি ছাত্রদল নেতার বাসায় ডিবির অভিযান, ৭০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার রাস্তার বেহাল দশা, এমপির দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকিং বিশ্ববিদ্যালয় দিল ৩৫ লাখ, ডাকসু করল ৩৫ কোটি টাকার কাজ যে-ই ক্ষমতায় যায় সে-ই হাসিনা হতে চায়: মামুনুল হক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রাজকীয় আয়োজনে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হলো শিক্ষিকাকে

‘কেউই রেহাই পাবে না’: খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলার ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • ৫৮২ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিয়ারশেভার সোরোকা মেডিকেল সেন্টারে আহতদের খোঁজখবর নিতে যান নেতানিয়াহু। হাসপাতালটি সকালে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সেখানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, খামেনি মৃত্যুর প্রহর গুনছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে নেতানিয়াহু বলেন, “আমি নির্দেশ দিয়েছি, কেউই রেহাই পাবে না। আমি কথা বলতে চাই না, কাজই যেন কথা বলে।” তিনি আরও বলেন, “যুদ্ধের সময় শব্দ বাছাই করে কথা বলা দরকার, আর কাজ করতে হয় নিখুঁতভাবে।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “সব বিকল্পই খোলা আছে। সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে কথা না বলাই ভালো।” তিনি তার মন্ত্রীদের কাছ থেকেও একই ধরনের সংযত আচরণ প্রত্যাশা করেন বলে মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ প্রকাশ্যে খামেনিকে হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত একান্তই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়। তার ভাষায়, “তিনি যা করবেন, আমেরিকার ভালোর জন্য করবেন। আর আমি করব, ইসরায়েলের ভালোর জন্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘খেলাটা’ বোঝেন।”

তবে যুদ্ধ পরিচালনায় ইসরায়েল এককভাবেও সম্পূর্ণ সক্ষম বলে দাবি করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “এই অভিযান শেষে ইসরায়েলের ওপর কোনও পারমাণবিক হুমকি থাকবে না, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকিও থাকবে না।”

চলমান যুদ্ধে ব্যক্তিগত ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তার পরিবারও এর বাইরে নয়। নেতানিয়াহু বলেন, “এই যুদ্ধে আমরা সবাই ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমার পরিবারও এর বাইরে নয়। আমার ছেলে বিয়ে স্থগিত করেছে।”

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চুরির অভিযোগে তিনজনকে হাত-পা বেঁধে পিটুনি, চোখে ঢালা হলো চুনের পানি

‘কেউই রেহাই পাবে না’: খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলার ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর

আপডেট সময় ১০:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

ইসরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিয়ারশেভার সোরোকা মেডিকেল সেন্টারে আহতদের খোঁজখবর নিতে যান নেতানিয়াহু। হাসপাতালটি সকালে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সেখানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, খামেনি মৃত্যুর প্রহর গুনছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে নেতানিয়াহু বলেন, “আমি নির্দেশ দিয়েছি, কেউই রেহাই পাবে না। আমি কথা বলতে চাই না, কাজই যেন কথা বলে।” তিনি আরও বলেন, “যুদ্ধের সময় শব্দ বাছাই করে কথা বলা দরকার, আর কাজ করতে হয় নিখুঁতভাবে।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “সব বিকল্পই খোলা আছে। সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে কথা না বলাই ভালো।” তিনি তার মন্ত্রীদের কাছ থেকেও একই ধরনের সংযত আচরণ প্রত্যাশা করেন বলে মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ প্রকাশ্যে খামেনিকে হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত একান্তই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়। তার ভাষায়, “তিনি যা করবেন, আমেরিকার ভালোর জন্য করবেন। আর আমি করব, ইসরায়েলের ভালোর জন্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘খেলাটা’ বোঝেন।”

তবে যুদ্ধ পরিচালনায় ইসরায়েল এককভাবেও সম্পূর্ণ সক্ষম বলে দাবি করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “এই অভিযান শেষে ইসরায়েলের ওপর কোনও পারমাণবিক হুমকি থাকবে না, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকিও থাকবে না।”

চলমান যুদ্ধে ব্যক্তিগত ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তার পরিবারও এর বাইরে নয়। নেতানিয়াহু বলেন, “এই যুদ্ধে আমরা সবাই ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমার পরিবারও এর বাইরে নয়। আমার ছেলে বিয়ে স্থগিত করেছে।”

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল