ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার ‘কামব্যাক কমরেড’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শুনেছি খালেদা জিয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে আমার মিল আছে: মেঘনা আলম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত যুবলীগের কর্মী অর্ঘ্য হচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী আমি পদত্যাগ করব না, রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক: মমতা স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়ার খবর সঠিক নয়, দাবি বিক্রম মিশ্রির চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে জনগণ কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সেবা পাবে। জনগণ বিএনপি’র নির্বাচনী ইশতেহারে সমর্থন দিয়েছে; তাই এটি এখন জনগণেরই ইশতেহার— এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বুধবার (৬ মে) রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, চারদিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম হাতেকলমে জানানো হয়েছে ডিসিদের। তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

 

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বিএনপি’র ইশতেহারে দেশের জনগণ সমর্থন দেয়ায় এটি এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। তাই জনস্বার্থে নেয়া সরকারের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব এখন জনপ্রশাসনের।

 

মাঠ প্রশাসনকে সেবাগ্রহীতাদের প্রতি আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল হওয়ার পাশাপাশি সরকারি দফতরে সাধারণ মানুষের দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের তাগিদ দেন তারেক রহমান।

 

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে তারাই হবে দক্ষ জনসম্পদ। এসময় তিনি কর্মকর্তাদের মানুষের উপকার করার মানসিকতা নিয়ে সামনে এগুনোর আহ্বান জানান।

 

রাষ্ট্র ও সমাজে ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সকল উপায় বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, পরিবারগুলো ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত থাকলে রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধও জাগ্রত হবে।

 

এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন ডিসি এবং বিভাগীয় কমিশনাররা। শেষ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের ৯টি কার্য অধিবেশন ছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার

সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে জনগণ কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সেবা পাবে। জনগণ বিএনপি’র নির্বাচনী ইশতেহারে সমর্থন দিয়েছে; তাই এটি এখন জনগণেরই ইশতেহার— এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বুধবার (৬ মে) রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, চারদিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম হাতেকলমে জানানো হয়েছে ডিসিদের। তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

 

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বিএনপি’র ইশতেহারে দেশের জনগণ সমর্থন দেয়ায় এটি এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। তাই জনস্বার্থে নেয়া সরকারের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব এখন জনপ্রশাসনের।

 

মাঠ প্রশাসনকে সেবাগ্রহীতাদের প্রতি আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল হওয়ার পাশাপাশি সরকারি দফতরে সাধারণ মানুষের দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের তাগিদ দেন তারেক রহমান।

 

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে তারাই হবে দক্ষ জনসম্পদ। এসময় তিনি কর্মকর্তাদের মানুষের উপকার করার মানসিকতা নিয়ে সামনে এগুনোর আহ্বান জানান।

 

রাষ্ট্র ও সমাজে ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সকল উপায় বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, পরিবারগুলো ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত থাকলে রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধও জাগ্রত হবে।

 

এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন ডিসি এবং বিভাগীয় কমিশনাররা। শেষ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের ৯টি কার্য অধিবেশন ছিল।