এবার শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতাসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে গোসাইরহাট থানার এএসআই মো. তানভীর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনায় উপজেলার সামন্তসার ইউনিয়নের লাকাচুয়া থেকে তাদের আটক করেন। গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. মিজানুর রহমান ও তার ভাই মো. নিসার উদ্দিন দুলাল। তারা মৃত নুর মোহাম্মদ হাওলাদারের ছেলে এবং উপজেলার সামন্তসার ইউনিয়নের লাকাচুয়া গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান গোসাইরহাট উপজেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের হওয়া মামলা নং–৩৫, ধারা ৪০৬/৪২০/৫০৬/১০৯ পেনাল কোডের মামলায় তারা অভিযুক্ত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, আসামিরা গোসাইরহাট এলাকায় অবস্থান করছেন এবং তাদের হেফাজতে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে একটি কালো রঙের সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল রয়েছে। পরে মিরপুর মডেল থানার পক্ষ থেকে গোসাইরহাট থানায় অধিযাচন পত্র পাঠানো হলে তার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। অভিযানকালে আসামিদের কাছ থেকে একটি কালো রঙের সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল (রেজিস্ট্রেশন নম্বর– ঢাকা মেট্রো ল–১৬–৮৪৩৩) জব্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মোটরসাইকেলটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গোসাইরহাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নাছির উদ্দিন বলেন, ‘মিজানুর রহমান পূর্বে গোসাইরহাট উপজেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে বর্তমানে তিনি দলের কোনো পদে নেই। এছাড়াও তার ভাই দুলাল জামায়াতের সক্রিয় কর্মী এবং সামন্তসার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে জানান তিনি।’
এ বিষয়টি নিশ্চিত করে গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, মিরপুর মডেল থানার একটি প্রতারণা ও আত্মসাৎ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে সংশ্লিষ্ট থানার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















