ঢাকা , বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনায় অন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, সেরা বিতার্কিক মহরম হাসান মাহিম আগামীতে ফুটবলের মাধ্যমেই বাংলাদেশকে চিনবে বিশ্ববাসী: বাফুফে সভাপতি প্রতারণা ও আত্মসাৎ মামলায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার বগুড়ায় বিমানবন্দর ও বিমান ঘাঁটির কাজ শুরু হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী  পুলিশের সঙ্গে টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা: রুমিন ফারহানা রামিসা হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল রানার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা জামায়াতের বিরোধী দল হওয়ার যোগ্যতা নেই: রাশেদ খান রাষ্ট্রপতি হওয়ার চেষ্টা করছেন ড. ইউনূস: গোলাম মাওলা রনি হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনায় অন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, সেরা বিতার্কিক মহরম হাসান মাহিম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

খুলনার অন্যতম বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় খুলনাতে অন্তঃবিভাগীয় সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ফাইনালে সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন মহরম হাসান মাহিম। তাদেরকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

প্রতিযোগিতা শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বিতর্কের প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয় ১২ তারিখ, দ্বিতীয় রাউন্ড ১৩ তারিখ এবং ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয় ১৬ তারিখ। একইদিনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

ফাইনাল রাউন্ডের বিতর্কের বিষয় ছিল,“এই সংসদ বিশ্বাস করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বাংলাদেশের তরুণদের রাজনৈতিক সচেতনতার চেয়ে বিভাজন বেশি বাড়াচ্ছে।”

ফাইনাল বিতর্কে সরকারি দল বিজয়ী হয়। সরকারি দলে ছিলেন আমান। দলের অন্য সদস্যরা ছিলেন মেহেদি জামান মাহিম ও মহরম হাসান মাহিম।

এদিকে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত রম্য বিতর্ক “নর্দানের রাজা” শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ী হন বিতার্কিক সোহেল রানা, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজ রনি বলেন, “আমি সবসময় চাই আমার শিক্ষার্থীরা সমাজ ও দেশ নিয়ে চিন্তা করুক এবং সেই চিন্তা যেন যুক্তি ও গঠনমূলক আলোচনাকেন্দ্রিক হয়। সেই ভাবনা থেকেই ক্লাব সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এই আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।”

তিনি আরও বলেন, “এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের যুক্তির আলোয় শাণিত করা। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা। কারণ অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই আগে কখনও বিতর্ক করেনি। তাদের জন্য কর্মশালার আয়োজন ও মানসিকভাবে সহযোগিতা করতে হয়েছে।”

জেএমসি ক্লাব সম্পর্কে তিনি বলেন, “জেএমসি ক্লাব মূলত শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচির বাইরের সৃজনশীল চিন্তার জগৎকে বিকশিত করার লক্ষ্যেই গঠন করা হয়েছে। ক্লাব নিয়ে আমাদের স্বপ্ন অনেক বড়।”

তিনি আরও জানান, “এর আগেও স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছি, তাই এটি নিয়ে আলাদা অনুভূতি নেই। তবে শিক্ষার্থীদের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট। তাদের এখনও অনেক শেখার বাকি থাকলেও যে উন্নতি দেখছি, তাতে আশা করছি ভবিষ্যতে তারা আরও ভালো বক্তা ও বিতার্কিক হয়ে উঠবে।”

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের জেএমসি ক্লাবের এক্সিকিউটিভ মেম্বার রাসেল কবির বলেন, “২০১৯ সালে বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও শিক্ষকদের রম্য বিতর্ক আয়োজন করা হয়েছে।”

ফাইনালে সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়ে মহরম হাসান মাহিম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এটি ছিল নতুন অভিজ্ঞতা ও নতুন মঞ্চ। এই বিতর্ক আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনায় অন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, সেরা বিতার্কিক মহরম হাসান মাহিম

নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনায় অন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, সেরা বিতার্কিক মহরম হাসান মাহিম

আপডেট সময় ০৫:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

খুলনার অন্যতম বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় খুলনাতে অন্তঃবিভাগীয় সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ফাইনালে সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন মহরম হাসান মাহিম। তাদেরকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

প্রতিযোগিতা শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বিতর্কের প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয় ১২ তারিখ, দ্বিতীয় রাউন্ড ১৩ তারিখ এবং ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয় ১৬ তারিখ। একইদিনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

ফাইনাল রাউন্ডের বিতর্কের বিষয় ছিল,“এই সংসদ বিশ্বাস করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বাংলাদেশের তরুণদের রাজনৈতিক সচেতনতার চেয়ে বিভাজন বেশি বাড়াচ্ছে।”

ফাইনাল বিতর্কে সরকারি দল বিজয়ী হয়। সরকারি দলে ছিলেন আমান। দলের অন্য সদস্যরা ছিলেন মেহেদি জামান মাহিম ও মহরম হাসান মাহিম।

এদিকে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত রম্য বিতর্ক “নর্দানের রাজা” শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ী হন বিতার্কিক সোহেল রানা, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজ রনি বলেন, “আমি সবসময় চাই আমার শিক্ষার্থীরা সমাজ ও দেশ নিয়ে চিন্তা করুক এবং সেই চিন্তা যেন যুক্তি ও গঠনমূলক আলোচনাকেন্দ্রিক হয়। সেই ভাবনা থেকেই ক্লাব সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এই আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।”

তিনি আরও বলেন, “এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের যুক্তির আলোয় শাণিত করা। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা। কারণ অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই আগে কখনও বিতর্ক করেনি। তাদের জন্য কর্মশালার আয়োজন ও মানসিকভাবে সহযোগিতা করতে হয়েছে।”

জেএমসি ক্লাব সম্পর্কে তিনি বলেন, “জেএমসি ক্লাব মূলত শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচির বাইরের সৃজনশীল চিন্তার জগৎকে বিকশিত করার লক্ষ্যেই গঠন করা হয়েছে। ক্লাব নিয়ে আমাদের স্বপ্ন অনেক বড়।”

তিনি আরও জানান, “এর আগেও স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছি, তাই এটি নিয়ে আলাদা অনুভূতি নেই। তবে শিক্ষার্থীদের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট। তাদের এখনও অনেক শেখার বাকি থাকলেও যে উন্নতি দেখছি, তাতে আশা করছি ভবিষ্যতে তারা আরও ভালো বক্তা ও বিতার্কিক হয়ে উঠবে।”

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের জেএমসি ক্লাবের এক্সিকিউটিভ মেম্বার রাসেল কবির বলেন, “২০১৯ সালে বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও শিক্ষকদের রম্য বিতর্ক আয়োজন করা হয়েছে।”

ফাইনালে সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়ে মহরম হাসান মাহিম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এটি ছিল নতুন অভিজ্ঞতা ও নতুন মঞ্চ। এই বিতর্ক আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”