ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখলেন দায়িত্ব অবহেলা, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বহিষ্কৃত গাজী নজরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না জানালেন শিশির মনির ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি পদে হতে যাচ্ছে ভোট দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে: ভারতীয় হাইকমিশনার দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বাড়ির মালিককে কুপিয়ে ৯ টুকরো করল ভাড়াটিয়া, উদ্ধার হয়নি পা ও মাথা গাজীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সড়ক অব/রোধ করে বি’ক্ষো’ভ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির ২ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ জুলাই যাদুঘর থেকে ফেলানীর চি’হ্ন সরিয়ে ফেলা ব্যক্তিদের উ’দ্দে’শ্য অ’শু’ভ কানাডা থেকে হাজারো ভারতীয় নাগরিক বহিষ্কার

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে নতুন সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। খবর এনডিটিভির। 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, যা একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। তবে এক্সিওসএর বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন ইরানের সংশোধিত প্রস্তাব আগের তুলনায় কোনো বড় অগ্রগতি নয় এবং তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে ট্রাম্প নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, তিনি ইরানের কাছে কোনো ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নন। তার দাবি, ইরান ভালোভাবেই জানে সামনে কী হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি বিরক্ত নই, তবে ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি চুক্তি করতে চায়, কারণ তারা জানে সামনে কী হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত তীব্র হতে পারে। জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সএর গবেষক হামিদরেজা আজিজি বলেন, আগের দফায় ইরান দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল এবং সে কারণে ধীরে ধীরে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধকে দ্রুত কিন্তু ভয়াবহ আকারে দেখতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি বড় ধরনের হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জ্বালানি খাত, তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখলেন দায়িত্ব অবহেলা, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে নতুন সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। খবর এনডিটিভির। 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, যা একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। তবে এক্সিওসএর বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন ইরানের সংশোধিত প্রস্তাব আগের তুলনায় কোনো বড় অগ্রগতি নয় এবং তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে ট্রাম্প নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, তিনি ইরানের কাছে কোনো ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নন। তার দাবি, ইরান ভালোভাবেই জানে সামনে কী হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি বিরক্ত নই, তবে ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি চুক্তি করতে চায়, কারণ তারা জানে সামনে কী হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত তীব্র হতে পারে। জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সএর গবেষক হামিদরেজা আজিজি বলেন, আগের দফায় ইরান দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল এবং সে কারণে ধীরে ধীরে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধকে দ্রুত কিন্তু ভয়াবহ আকারে দেখতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি বড় ধরনের হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জ্বালানি খাত, তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।