ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশ দোকানে ডাকাতি: প্রধান আসামি মামুন গ্রেফতার মেসির প্রশংসায় বিনয়ী মেদিনা, বললেন—‘অধিনায়কের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত’ অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে নতুন সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। খবর এনডিটিভির। 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, যা একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। তবে এক্সিওসএর বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন ইরানের সংশোধিত প্রস্তাব আগের তুলনায় কোনো বড় অগ্রগতি নয় এবং তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে ট্রাম্প নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, তিনি ইরানের কাছে কোনো ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নন। তার দাবি, ইরান ভালোভাবেই জানে সামনে কী হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি বিরক্ত নই, তবে ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি চুক্তি করতে চায়, কারণ তারা জানে সামনে কী হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত তীব্র হতে পারে। জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সএর গবেষক হামিদরেজা আজিজি বলেন, আগের দফায় ইরান দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল এবং সে কারণে ধীরে ধীরে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধকে দ্রুত কিন্তু ভয়াবহ আকারে দেখতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি বড় ধরনের হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জ্বালানি খাত, তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে নতুন সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। খবর এনডিটিভির। 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, যা একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। তবে এক্সিওসএর বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মনে করছেন ইরানের সংশোধিত প্রস্তাব আগের তুলনায় কোনো বড় অগ্রগতি নয় এবং তা যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে ট্রাম্প নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, তিনি ইরানের কাছে কোনো ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নন। তার দাবি, ইরান ভালোভাবেই জানে সামনে কী হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি বিরক্ত নই, তবে ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি চুক্তি করতে চায়, কারণ তারা জানে সামনে কী হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত তীব্র হতে পারে। জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সএর গবেষক হামিদরেজা আজিজি বলেন, আগের দফায় ইরান দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিল এবং সে কারণে ধীরে ধীরে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধকে দ্রুত কিন্তু ভয়াবহ আকারে দেখতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি বড় ধরনের হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জ্বালানি খাত, তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।