ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুরন্ত ফ্রান্সকে হারানোর কঠিন মিশনে সুইডেন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভুলে ধন্যবাদ দিলেন আমির হামজা কর্ণফুলীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ, ৬ নাবিক দগ্ধ আনচেলত্তি ফ্যাক্টরেই বিশ্বকাপে এক প্রজন্মের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এড়াল ব্রাজিল জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা ‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমরা ব্রাজিলিয়ানরাও তোমাদের ভালোবাসি‘ জার্মান সেই গণিতবিদকে এক হাত নিলেন নেইমার যাঁরা বাংলাদেশ চাননি, তাঁদের কেন রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন: বিএনপিকে পরওয়ার শেখ পরিবারের ৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তন না করায় সিনেট থেকে ডাকসু নেতাদের ওয়াকআউট সংসদে ‘ঋণখেলাপি’ প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত এমপির প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার

ফুঁসছে ইরান, টার্গেট মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে তাদের পক্ষে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চরম ক্ষুব্ধ ইরান। গত শনিবার (২১ জুন) রাতে দেশটির তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় ভয়াবহ ক্লাস্টার বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এমনকি ঘটনার পরপরই এ হামলাকে ‘অসাধারণ সামরিক সাফল্য’ আখ্যা দিয়ে ভাষণও দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার জবাব দিতে এই মুহূর্তে রীতিমত ফুঁসছে ইরান। এক্ষেত্রে তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়াতিও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন এ ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, মার্কিন হামলার পর এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ঘাঁটির উপস্থিতির আর কোনো স্থান থাকবে না।

রোববার (২২ জুন) ইরানের গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। আলী আকবর বেলায়াতি বলেছেন, অন্যান্য দেশ যদি মার্কিন পদক্ষেপে সহায়তা করে, তবে তারাও ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মার্কিন হামলার পর এক বিবৃতিতে বলেছে, যেখান থেকে আগ্রাসন চালানো হয়েছে সেই স্থানটি ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছে তেহরান। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান এবং সিরিয়ায় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

সবশেষ ২০২০ সালে এই অঞ্চলে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে সরাসরি আক্রমণ করেছিল ইরান। ইরাকে অবস্থিত মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। প্রতিশোধ হিসেবে, আইআরজিসির বহির্মুখী শাখা, কুদস বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুরন্ত ফ্রান্সকে হারানোর কঠিন মিশনে সুইডেন

ফুঁসছে ইরান, টার্গেট মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি!

আপডেট সময় ০১:২৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

এবার ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে তাদের পক্ষে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চরম ক্ষুব্ধ ইরান। গত শনিবার (২১ জুন) রাতে দেশটির তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় ভয়াবহ ক্লাস্টার বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এমনকি ঘটনার পরপরই এ হামলাকে ‘অসাধারণ সামরিক সাফল্য’ আখ্যা দিয়ে ভাষণও দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার জবাব দিতে এই মুহূর্তে রীতিমত ফুঁসছে ইরান। এক্ষেত্রে তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়াতিও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন এ ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, মার্কিন হামলার পর এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ঘাঁটির উপস্থিতির আর কোনো স্থান থাকবে না।

রোববার (২২ জুন) ইরানের গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। আলী আকবর বেলায়াতি বলেছেন, অন্যান্য দেশ যদি মার্কিন পদক্ষেপে সহায়তা করে, তবে তারাও ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মার্কিন হামলার পর এক বিবৃতিতে বলেছে, যেখান থেকে আগ্রাসন চালানো হয়েছে সেই স্থানটি ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছে তেহরান। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান এবং সিরিয়ায় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

সবশেষ ২০২০ সালে এই অঞ্চলে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে সরাসরি আক্রমণ করেছিল ইরান। ইরাকে অবস্থিত মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। প্রতিশোধ হিসেবে, আইআরজিসির বহির্মুখী শাখা, কুদস বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র।