ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এবার ২৫ কোটি টাকা নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন আসিফ মাহমুদ  বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইসরায়েল, ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ দুই ভবনের ফাঁকে আটকা কুকুরকে বাঁচাল ফায়ার সার্ভিস ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের বানান ভুল, চিড়িয়াখানার কিউরেটরকে বদলি এক দশক পর জঙ্গি অভিযোগের মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সেই তিন ছাত্রী লুডু খেলা নিয়ে দু‘পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, আহত ২০ উপজেলার বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের ওপর আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হামলা আসিফ-হাসনাত জেলা পরিষদের তহবিল থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন: প্রশাসক জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা!: রাশেদ খাঁন

৪০ বছর ইমামতি শেষে রাজকীয় বিদায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একটি মসজিদে টানা ৪০ বছর ইমামতির দায়িত্ব পালন শেষে সম্মাননা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নিয়েছেন মৌলভী আবদুল কাদের। স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান এলাকায় সৃষ্টি করেছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

চার দশক ধরে একই মসজিদে ইমামতি করেছেন তিনি। ইসলামের শিক্ষা প্রচার, নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করাই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান দায়িত্ব।

 

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের বগৈড় উত্তরপাড়া জামে মসজিদে দীর্ঘ ৪০ বছর ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মৌলভী আবদুল কাদের।

 

শনিবার (৩০ মে) যোহরের নামাজের পর বয়সজনিত কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়া এই ইমামকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় এক ব্যতিক্রমী বিদায় সংবর্ধনার।

 

মসজিদ কমিটি, মুসল্লি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, আবদুল কাদের শুধু একজন ইমাম নন, তিনি ছিলেন এলাকার মানুষের আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।

 

বিদায়ী বক্তব্যে আবেগাপ্লুত আবদুল কাদের বলেন, “বগৈড়ের মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান আমি আজীবন মনে রাখব। মানুষের এই ভালোবাসাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই আমাকে দায়িত্ব ছাড়তে হয়েছে।”

 

অনুষ্ঠান শেষে মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। পরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে একটি প্রাইভেটকারে করে তাঁকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

একজন ইমামের দীর্ঘ ৪০ বছরের সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ এমন সম্মানজনক বিদায় স্থানীয়দের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার ২৫ কোটি টাকা নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন আসিফ মাহমুদ 

৪০ বছর ইমামতি শেষে রাজকীয় বিদায়

আপডেট সময় ০৮:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একটি মসজিদে টানা ৪০ বছর ইমামতির দায়িত্ব পালন শেষে সম্মাননা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নিয়েছেন মৌলভী আবদুল কাদের। স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান এলাকায় সৃষ্টি করেছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

চার দশক ধরে একই মসজিদে ইমামতি করেছেন তিনি। ইসলামের শিক্ষা প্রচার, নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করাই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান দায়িত্ব।

 

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের বগৈড় উত্তরপাড়া জামে মসজিদে দীর্ঘ ৪০ বছর ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মৌলভী আবদুল কাদের।

 

শনিবার (৩০ মে) যোহরের নামাজের পর বয়সজনিত কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়া এই ইমামকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় এক ব্যতিক্রমী বিদায় সংবর্ধনার।

 

মসজিদ কমিটি, মুসল্লি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, আবদুল কাদের শুধু একজন ইমাম নন, তিনি ছিলেন এলাকার মানুষের আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।

 

বিদায়ী বক্তব্যে আবেগাপ্লুত আবদুল কাদের বলেন, “বগৈড়ের মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান আমি আজীবন মনে রাখব। মানুষের এই ভালোবাসাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই আমাকে দায়িত্ব ছাড়তে হয়েছে।”

 

অনুষ্ঠান শেষে মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। পরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে একটি প্রাইভেটকারে করে তাঁকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

একজন ইমামের দীর্ঘ ৪০ বছরের সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ এমন সম্মানজনক বিদায় স্থানীয়দের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।