ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বিরুদ্ধে ‘অভূতপূর্ব’ পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা ‘মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ কারাগারে ইমরান খানের মৃ’ত্যু’র গুঞ্জন ৬০ লাখ অটোরিকশার চার্জে বছরে খরচ ৩ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মাত্র ৫.৩ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ৮০০ কিমি গতি, ম্যাগলেভে চীনের বিশ্ব রেকর্ড দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন নির্দেশনা যাদের হাতে উঠছে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম করেছিলেন মির্জা ফখরুল আপাতত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে লুটপাট চলছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে ব্যাপক লুটপাট চলছে। প্রকৃত প্রয়োজন থাকা খালগুলো খনন না করে ইতোমধ্যে খনন করা খালের পাশেই নতুন করে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, যে খালগুলো অন্য সরকারি দপ্তর ইতোমধ্যে খনন করেছে, সেগুলোর পাশেই আবার নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। অথচ যেসব খাল প্রকৃতপক্ষে খননের প্রয়োজন ছিল এবং যেগুলোর জন্য বরাদ্দ অনুমোদন হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে। খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের প্রচারের জন্য ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আর সেই ৫ টাকার প্রচারে ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এসবই লুটপাটের প্রকল্প। কারণ বিলবোর্ড নির্মাণের কাজ সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।

মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লাই মাদকের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রশাসনের অসাধু অংশের সহযোগিতাও এতে জড়িত থাকে। তাই এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বিরুদ্ধে ‘অভূতপূর্ব’ পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে লুটপাট চলছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

আপডেট সময় ০১:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে ব্যাপক লুটপাট চলছে। প্রকৃত প্রয়োজন থাকা খালগুলো খনন না করে ইতোমধ্যে খনন করা খালের পাশেই নতুন করে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, যে খালগুলো অন্য সরকারি দপ্তর ইতোমধ্যে খনন করেছে, সেগুলোর পাশেই আবার নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। অথচ যেসব খাল প্রকৃতপক্ষে খননের প্রয়োজন ছিল এবং যেগুলোর জন্য বরাদ্দ অনুমোদন হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে। খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের প্রচারের জন্য ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আর সেই ৫ টাকার প্রচারে ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এসবই লুটপাটের প্রকল্প। কারণ বিলবোর্ড নির্মাণের কাজ সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।

মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লাই মাদকের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রশাসনের অসাধু অংশের সহযোগিতাও এতে জড়িত থাকে। তাই এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।