আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভারতে বসে রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলন করা এবং দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণাকে ‘মামার বাড়ির আবদার’ ও ‘ধৃষ্টতা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষ হত্যার পর শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য জনগণ মেনে নেবে না। দেশের মানুষ গুম ও খুনের বিচার দেখতে চায়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পল্লবীতে বিএনপির প্রয়াত ক্রীড়াসংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।
বর্তমান সরকার ন্যায় ও নিষ্ঠার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করছে দাবি করে তিনি বলেন, অতীতে যারা গুম ও হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিচার দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। শেখ হাসিনার বিচারও অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।
রিজভী বলেন, এত মানুষ হত্যার পর বিদেশে বসে সংবাদ সম্মেলন করে ডিসেম্বরে দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণা দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়েও সমালোচনা করেন বিএনপির এই নেতা। তার দাবি, যারা তাকে আশ্রয় দিয়েছে, তারা নিজেদের স্বার্থে শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করতে চায়। একই সঙ্গে জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণা করে রিজভী বলেন, কোকো সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়াসংগঠক। তবে তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এসবের পরও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সুবিচারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই তার লক্ষ্য।
আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























