শিরোনাম:
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক, সম্পর্ককে নিতে চায় নতুন উচ্চতায়
ভূমিকা:
বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেতে যাচ্ছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে আঙ্কারা। এ লক্ষ্যেই ঢাকা সফরে এসেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ঢাকা সফর করছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Hakan Fidan।
দুই দিনের এই সফরে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতে এই বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দুই দেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছে তুরস্ক।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক কেবল বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগও বেড়েছে। এর আগে আঙ্কারায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছিল।
সফরের অংশ হিসেবে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে। সেখানে তুরস্কের বিভিন্ন সংস্থার পরিচালিত মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে দেখছে তুরস্ক। ফলে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ে বাণিজ্যের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















