ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ স্বৈরাচারের সময়ে বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী নিজের বি’রুদ্ধে অভি/যোগের প্রমাণ উন্মুক্ত করতে বললেন আসিফ মাহমুদ পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেওয়ার দাবি নাকচ করল মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বং’স করতে ইরানকে গোপনে ‘ক্ষেপ/ণা/স্ত্র’ সহায়তা করছে রাশিয়া চলন্ত ট্রেনের ক্যান্টিনে নারীকে ধ/র্ষণ, চার পুলিশ সদস্যের বি’রু’দ্ধে ব্যবস্থা গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ চিকিৎসাধীন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন কমলো এলপিজির দাম, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ২০২৬২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন (৯ম) পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এই নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে, যার জন্য বাজেটে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবেলা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের কাছে। যার প্রভাব বাজেটে পড়ছে। এ ছাড়া ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি, সুদ পরিশোধের চাপ আছেই। এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি করে নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। যার ফলে বড় হচ্ছে বাজেট।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০২৬২৭ অর্থবছরে কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি বড় অংশ, যা সম্ভাব্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, বৃদ্ধি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। আর তৃতীয় ও শেষ ধাপে ২০২৮২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্য সব ধরনের ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় এনে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা হবে। নতুন পে স্কেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, বর্তমানের ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতনবৈষম্য কমানোর উদ্যোগ। প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান বর্তমানের ১:.৪ থেকে কমিয়ে ১:এ নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এতে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেডভেদে কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন করে যাতায়াতভাতা চালুর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

নতুন পে স্কেলের সুবিধা শুধু কর্মরত চাকরিজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীও এর আওতায় আসতে পারেন। এর ফলে বিশেষ করে স্বল্প পেনশনপ্রাপ্ত প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে কিভাবে সমন্বয় করা হবে, তা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের একটি বিশেষ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কাজ করছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি!

আপডেট সময় ০২:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

আসন্ন ২০২৬২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন (৯ম) পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এই নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে, যার জন্য বাজেটে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবেলা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের কাছে। যার প্রভাব বাজেটে পড়ছে। এ ছাড়া ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি, সুদ পরিশোধের চাপ আছেই। এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি করে নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। যার ফলে বড় হচ্ছে বাজেট।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০২৬২৭ অর্থবছরে কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি বড় অংশ, যা সম্ভাব্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, বৃদ্ধি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। আর তৃতীয় ও শেষ ধাপে ২০২৮২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্য সব ধরনের ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় এনে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা হবে। নতুন পে স্কেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, বর্তমানের ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতনবৈষম্য কমানোর উদ্যোগ। প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান বর্তমানের ১:.৪ থেকে কমিয়ে ১:এ নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এতে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেডভেদে কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন করে যাতায়াতভাতা চালুর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

নতুন পে স্কেলের সুবিধা শুধু কর্মরত চাকরিজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীও এর আওতায় আসতে পারেন। এর ফলে বিশেষ করে স্বল্প পেনশনপ্রাপ্ত প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে কিভাবে সমন্বয় করা হবে, তা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের একটি বিশেষ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কাজ করছে।