ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের দিনক্ষণ জানাল ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ৪ জুলাই দেশটির রাজধানী তেহরানে শুরু হবে। এরপর ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

 

শনিবার (১৩ জুন) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে ৪ জুলাই থেকে টানা তিন দিন জানাজা ও শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে আরেকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই মাশহাদে তাকে সমাহিত করা হবে।

 

এর আগে গত মার্চে দাফনের পরিকল্পনা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

 

১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইসলামী বিপ্লব-পরবর্তী ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামো গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার মৃত্যুর পর পুত্র আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের দিনক্ষণ জানাল ইরান

আপডেট সময় ১০:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ৪ জুলাই দেশটির রাজধানী তেহরানে শুরু হবে। এরপর ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

 

শনিবার (১৩ জুন) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে ৪ জুলাই থেকে টানা তিন দিন জানাজা ও শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে আরেকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই মাশহাদে তাকে সমাহিত করা হবে।

 

এর আগে গত মার্চে দাফনের পরিকল্পনা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

 

১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইসলামী বিপ্লব-পরবর্তী ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামো গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার মৃত্যুর পর পুত্র আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।