ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন আছে: হাইকমিশনার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে।’

 

শুক্রবার (১৯ জুন) পাকিস্তান হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক ফুড ফেস্টিভ্যালে তিনি এ কথা বলেন। পাকিস্তানের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধন ঐতিহ্য উপস্থাপনের জন্য এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক মহলের সদস্য, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষসহ বিশিষ্ট অতিথিদের স্বাগত জানান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। অংশগ্রহণকারীরা পাকিস্তানি রন্ধনশৈলী ও ফ্যাশনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

 

এ সময় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপকালে হাইকমিশনার বলেন, এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও মানুষে-মানুষে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে, যা দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

দেশে কর্মরত কূটনৈতিক কোরের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উৎসবটি দিনভর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের লিড নিল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন আছে: হাইকমিশনার

আপডেট সময় ১২:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে।’

 

শুক্রবার (১৯ জুন) পাকিস্তান হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক ফুড ফেস্টিভ্যালে তিনি এ কথা বলেন। পাকিস্তানের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধন ঐতিহ্য উপস্থাপনের জন্য এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক মহলের সদস্য, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষসহ বিশিষ্ট অতিথিদের স্বাগত জানান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। অংশগ্রহণকারীরা পাকিস্তানি রন্ধনশৈলী ও ফ্যাশনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

 

এ সময় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপকালে হাইকমিশনার বলেন, এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও মানুষে-মানুষে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে, যা দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

দেশে কর্মরত কূটনৈতিক কোরের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উৎসবটি দিনভর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল।