এবার নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, বিশ্বকাপের সবচেয়ে অবমূল্যায়িত দল ইরান। তবে মাঠের লড়াইয়ে তারা দেখিয়ে দিচ্ছে, তাদের হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ২–২ গোলে ড্রয়ের পর সোমবার (২২ জুন) রাতে বেলজিয়ামের মতো শক্তিশালী দলকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। পাহাড়ে পশু চড়ানো এক রাখাল থেকে বিশ্বমঞ্চের নায়ক হয়ে ওঠার গল্পটি রূপকথাকেও হার মানায়। চলুন ছবিতে দেখে নেই তার গল্প।
বেলজিয়ামের বিপক্ষে অপ্রতিরোধ্য ইরানকে দুর্ভেদ্য করে তোলেন গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ। ইরানের এই মানবপ্রাচীর একাই ৭টি সেভ করেছেন। কোনো কোনো সেভ ছিল স্রেফ অবিশ্বাস্য। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইবার পিছিয়ে পড়েও ২–২ গোলে ড্র করেছিল ইরান। আর দ্বিতীয় ম্যাচে বেইরানভান্দের অনবদ্য পারফরম্যান্সে থামিয়ে দেয় বেলজিয়ামকেও।
কয়েক দিন আগে যুদ্ধের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া জবাব দেয়া ইরান সেই একই স্পিরিট যেন খেলার মাঠেও ফিরিয়ে এনেছে। ম্যাচজুড়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় বেলজিয়াম। গোলের উদ্দেশে নেয় ২৩টি শট। কিন্তু ইরানের রক্ষণদুর্গ আর বেইরানভান্দকে ভেদ করতে পারেনি কেউ।
ম্যাচ শেষে সতীর্থদের উচ্ছ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন এই নায়ক। স্মরণীয় মুহূর্তটি ফ্রেমবন্দী করে রাখেন তারাও। ইরানের লোরেস্তান প্রদেশের খোররামাবাদ অঞ্চলে জন্ম বেইরানভান্দের। তিনি একটি যাযাবর (নোমাডিক) কুর্দি লাক পরিবারে বড় হয়েছেন।ছোটবেলায় ইরানের পাহাড়ি অঞ্চলে পরিবারের পশুপালনের কাজে সাহায্য করতেন আলিরেজা। একজন রাখাল হিসেবেই শুরু হয়েছিল তার জীবনযুদ্ধ।

ডেস্ক রিপোর্ট 























