ব্রাজিল বনাম জাপানের মধ্যকার এই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসের পাতায় বেশ কয়েকটি অনন্য রেকর্ড এবং নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ম্যাচটি থেকে কিছু অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং অজানা তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:
• ১৯৩৮ সালের পর প্রথম মহাকাব্যিক রেকর্ড: বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল শেষবার কবে ম্যাচ জিতেছিল, তা মনে করতে হলে ফুটবল ইতিহাসবিদদের দীর্ঘ ৮৮ বছর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। ১৯৩৮ সালের পর এই প্রথম ব্রাজিল নকআউট ম্যাচে প্রথমার্ধের লিড হজম করেও ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ল।
• ক্যাসেমিরোর বিদায় ও ইনজুরি ট্র্যাজেডি: ম্যাচের ত্রাণকর্তা এবং সমতাসূচক গোলদাতা ক্যাসেমিরো ম্যাচের ঠিক শেষ মুহূর্তে (৯২ মিনিটে) একটি গুরুতর কুঁচকির (Groin) ইনজুরিতে পড়েন। মাঠ ছাড়ার সময় তিনি এতটাই ব্যথায় ভুগছিলেন যে নরওয়ের বিপক্ষে সুপার সিক্সটিনের ম্যাচে তার খেলা নিয়ে বড় ধরণের সংশয় তৈরি হয়েছে।
• জিওন সুজুকির ‘আমেরিকান’ শেকড়: ব্রাজিলের বিশ্বমানের আক্রমণভাগকে বারবার হতাশ করা জাপানি গোলরক্ষক জিওন সুজুকিকে নিয়ে গ্যালারিতে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়, কারণ ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার এই গোলরক্ষক আসলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেটের নেওয়ার্ক শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি চাইলে ঘানা বা আমেরিকার হয়েও খেলতে পারতেন, তবে জাপানের জার্সি গায়ে তিনি আজ বিশ্বকাপের ইতিহাসে জাপানের দীর্ঘতম গোলরক্ষক হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন।
• ভিনিসিয়াসের জাদুকরী ড্রিবলিং: ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে ব্রাজিলের মহাতারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র উইং দিয়ে একক দক্ষতায় জাপানের ৩-৪ জন ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিংয়ের মাধ্যমে পুরোপুরি বোতলবন্দী বা ‘শ্রেডার’-এ ফেলে একটি বুলেট গতির শট নেন。 বলটি গোলরক্ষক সুজুকির আঙুল ছুঁয়ে পোস্টে লেগে ফিরে না আসলে এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল হতে পারত।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















