ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। এবার নিজের নিরাপত্তা নিয়েই প্রকাশ্যে উদ্বেগ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দাবি করেছেন, তিনি এখন ইরানের ‘এক নম্বর টার্গেট’। তবে একই সঙ্গে দিয়েছেন আরও কঠোর সামরিক জবাবের হুঁশিয়ারিও।
ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্কের আঙ্কারায় সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের মতো নেই এবং দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ সময় তিনি মন্তব্য করেন, “আমিও হয়তো থাকব না, কারণ আমি তাদের এক নম্বর টার্গেট।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি ইরানের কিল লিস্টে এক নম্বরে আছি। টিকটকে এক নম্বর হতে বেশি ভালো লাগত, কিন্তু এখন আমি হত্যার তালিকায় এক নম্বর।”
তবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি ইরানের প্রতি কঠোর বার্তাও দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি আবার হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র “১০ গুণ বেশি শক্তি” দিয়ে জবাব দেবে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তিতে আগ্রহী নন।
ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেন, দুই দেশের সমঝোতা ভেঙেছে যুক্তরাষ্ট্রই। আর উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি ট্রাম্পকে “অপরাধী ও হত্যাকারী” আখ্যা দিয়ে বলেন, তার সঙ্গে শক্তির ভাষাতেই কথা বলতে হবে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য ও ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় দুই দেশের উত্তেজনাপূর্ণ বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত হওয়ার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই এখন নজর বিশ্ববাসীর।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















