ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাঈদীর ছবিতে জুতা নিক্ষেপকারীরা জা’র’জ, রাজপথে নামলে দুদিনও টিকতে পারবেন না: আমির হামজা কার সঙ্গে ‘আঁতাত’, জবাব দিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে: জামায়াত আমির দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষোভ ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ জুলাই সনদ নিয়ে প্রতারণা করলে পরিণতি ভালো হবে না: ফয়জুল করিম একটি আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলেই আপনাকে নাই করে দিবে: মাহফুজ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষকের সম্পৃক্ততা, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আজ যা ঘটেছে, আমরা বিব্রত: নাহিদ ইসলাম দফায় দফায় সংঘর্ষের পর বেরোবিতে একই মঞ্চে ছাত্রদল-শিবির

একটি আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলেই আপনাকে নাই করে দিবে: মাহফুজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আজ বুধবার বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতাদের বা নীতিনির্ধারকদের একজন হওয়া সত্ত্বেও যদি আপনি সরাসরি সেই দলে যোগ না দেন, তবে ওই দলের নেতাকর্মীরা আপনার অবদান পুরোপুরি অস্বীকার করতে পারে। দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা ঐতিহাসিক মাইলফলকে আপনার নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করা হবে না। এমনকি কোনো কারণে নাম আসলেও তা পজিটিভভাবে নয়, বরং কোনো ধরনের দায় চাপানোর জন্যই কেবল তা করা হয়ে থাকে।

 

পোস্টে তিনি রাজনীতিকে একটি মাছের পুকুর বা বাজারের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার ভাষায়, “ইতিহাস এক মাছের পুকুর কিংবা বাজার।” এখানেও মাছের মতো বড় মাছ ছোট মাছকে গিলে খাওয়ার নীতি অর্থাৎ ‘মাৎস্যন্যায়’ প্রত্যক্ষভাবে বিদ্যমান। ক্ষমতার পালাবদলে অতীতে যা ঘটেছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

 

কোনো নির্দিষ্ট আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলে ব্যক্তিকে ইতিহাস থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হবে যেন আপনার কোনো অস্তিত্বই ছিল না। আর যদি থেকেও থাকেন, তবে আপনাকে স্রেফ একজন ‘গাদ্দার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। বিপরীত দিকে, ওই একই গ্রুপের সঙ্গে স্রোতে মিশে চললে সহজেই প্রধান চরিত্রগুলোর একজন হয়ে ওঠা সম্ভব।

 

পোস্টের শেষ অংশে মাহফুজ আলম ক্ষমতা এবং ইতিহাস রচনার চিরন্তন সত্য তুলে ধরে লিখেছেন—যার হাতে ক্ষমতা থাকে, মূলত ইতিহাসও সে-ই লেখে। দল বা আদর্শিক গোত্রের ক্ষমতারোহণের মাধ্যমেই ইতিহাসের ওপর একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই ক্ষমতার বলে তারা নিজেদের পছন্দমতো ইতিহাস লেখেন এবং অপ্রয়োজনীয় বা ভিন্নমত পোষণকারীদের ইতিহাস থেকে সুকৌশলে বাদ দিয়ে দেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঈদীর ছবিতে জুতা নিক্ষেপকারীরা জা’র’জ, রাজপথে নামলে দুদিনও টিকতে পারবেন না: আমির হামজা

একটি আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলেই আপনাকে নাই করে দিবে: মাহফুজ

আপডেট সময় ১১:৩২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আজ বুধবার বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতাদের বা নীতিনির্ধারকদের একজন হওয়া সত্ত্বেও যদি আপনি সরাসরি সেই দলে যোগ না দেন, তবে ওই দলের নেতাকর্মীরা আপনার অবদান পুরোপুরি অস্বীকার করতে পারে। দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা ঐতিহাসিক মাইলফলকে আপনার নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করা হবে না। এমনকি কোনো কারণে নাম আসলেও তা পজিটিভভাবে নয়, বরং কোনো ধরনের দায় চাপানোর জন্যই কেবল তা করা হয়ে থাকে।

 

পোস্টে তিনি রাজনীতিকে একটি মাছের পুকুর বা বাজারের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার ভাষায়, “ইতিহাস এক মাছের পুকুর কিংবা বাজার।” এখানেও মাছের মতো বড় মাছ ছোট মাছকে গিলে খাওয়ার নীতি অর্থাৎ ‘মাৎস্যন্যায়’ প্রত্যক্ষভাবে বিদ্যমান। ক্ষমতার পালাবদলে অতীতে যা ঘটেছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

 

কোনো নির্দিষ্ট আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলে ব্যক্তিকে ইতিহাস থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হবে যেন আপনার কোনো অস্তিত্বই ছিল না। আর যদি থেকেও থাকেন, তবে আপনাকে স্রেফ একজন ‘গাদ্দার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। বিপরীত দিকে, ওই একই গ্রুপের সঙ্গে স্রোতে মিশে চললে সহজেই প্রধান চরিত্রগুলোর একজন হয়ে ওঠা সম্ভব।

 

পোস্টের শেষ অংশে মাহফুজ আলম ক্ষমতা এবং ইতিহাস রচনার চিরন্তন সত্য তুলে ধরে লিখেছেন—যার হাতে ক্ষমতা থাকে, মূলত ইতিহাসও সে-ই লেখে। দল বা আদর্শিক গোত্রের ক্ষমতারোহণের মাধ্যমেই ইতিহাসের ওপর একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই ক্ষমতার বলে তারা নিজেদের পছন্দমতো ইতিহাস লেখেন এবং অপ্রয়োজনীয় বা ভিন্নমত পোষণকারীদের ইতিহাস থেকে সুকৌশলে বাদ দিয়ে দেন।