ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৩৬ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত নারী উদ্ধার গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার সব পদ-পদবী থেকে পদত্যাগ রংপুরে প্রাথমিকের সমন্বয় সভার নামে সাড়ে ৪ লাখ টাকায় বিদায় সংবর্ধনা আশুলিয়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে এনসিপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ অবৈধ সিগারেট কারখানায় মিলল ২ কোটি টাকার নকল সিগারেট, ২০ লাখ শলাকা জব্দ মেহেরপুর হাসপাতালে এমপির পরিদর্শনে বিএনপি-জামায়াতের উত্তেজনা জমকালো গালায় ‘ফেস অব টুমোরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন রাইসা-লাবন বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: পাটওয়ারী শাবনূর সালমানকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছিল, আমি দেখে ফেলেছিলাম : সামিরা হক অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে কাল, ফখরুলই হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: মুখ খুলল দুদক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেছেন, বর্তমানে কমিশন না থাকায় অভিযোগটির বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। নতুন কমিশন গঠিত হলে অভিযোগটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, এস আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে এ অভিযোগ করেন।

দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামে একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা অনিয়মের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই ঋণের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. সাহাবুদ্দিন এবং ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, অনৈতিকভাবে ঋণ অনুমোদনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

দুদক সচিব বলেন, এ ধরনের অভিযোগ কমিশনের মাধ্যমে গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে কমিশন না থাকায় অভিযোগটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নতুন কমিশন গঠিত হলে অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৩৬ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত নারী উদ্ধার

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: মুখ খুলল দুদক

আপডেট সময় ০৬:১৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেছেন, বর্তমানে কমিশন না থাকায় অভিযোগটির বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। নতুন কমিশন গঠিত হলে অভিযোগটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, এস আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে এ অভিযোগ করেন।

দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামে একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা অনিয়মের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই ঋণের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. সাহাবুদ্দিন এবং ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, অনৈতিকভাবে ঋণ অনুমোদনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

দুদক সচিব বলেন, এ ধরনের অভিযোগ কমিশনের মাধ্যমে গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে কমিশন না থাকায় অভিযোগটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নতুন কমিশন গঠিত হলে অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।