ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে হবে আলাদা থানা: ববি হাজ্জাজ অতিরিক্ত যাত্রী, বড় ঢেউ; জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারী, যুবলীগ কর্মী গ্রেফতার বিএনপির পতন হলে আপনারা সরকার চালাতে পারবেন?-প্রশ্ন রাশেদ খানের বালুর ঘাটে ইজারাদারের কর্মীকে ইউএনওর মারধর তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত অন্যতম শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট লিপুর বাগানবাড়িতে ডিবির অভিযান সরকারের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত দেশকে সংকটে ফেলেছে, ১৫ দফা প্রস্তাব নাহিদের সকল প্রশংসা আল্লাহর, মধ্যপ্রাচ্যের অত্যাচারী ইরান আর নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের পর অবশেষে বিয়ের বন্ধনে রোনালদো-জর্জিনা

ছাত্রত্ব হারিয়ে আসন বাতিল, তবুও হল ছাড়েননি ছাত্রদল নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নিশাত ছাত্রত্ব হারানোর পর হলের আসন বাতিল হয়। কিন্তু এরপরও তিনি হলের ২৩২ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছেন।

 

নিশাত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, নিশাত ড্রপআউট হয়ে তার ছাত্রত্ব হারিয়েছেন। তবে তিনি একাডেমিক কাউন্সিলে (এসি) বিশেষ বিবেচনায় ছাত্রত্ব ফিরে পাওয়ার আবেদন করেছেন বলে জেনেছি। তবে সেখানে তার পুনরায় ভর্তি আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তিনি আবারও একটি আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিষয়টির সঙ্গে বিভাগীয় প্রশাসনের কোনো এখতিয়ার নেই। এটি একাডেমিক কাউন্সিলই দেখবে।

 

মতিহার হল সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুলাই ড্রপআউট হয়ে ছাত্রত্ব হারানোয় নিশাতকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় হল প্রশাসন। প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ছামিউল ইসলাম এক চিঠিতে উল্লেখ করেন, বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর নিয়মিত ছাত্র হিসেবে আপনার ভর্তি হওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে হলে আপনার ভর্তির কোনো তথ্য পায়নি এবং আপনি ড্রপ আউট হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।

 

সিট বাতিলের বিষয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ড্রপ আউট হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় সিট বাতিল করা হলো। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে হলের সব বকেয়া পরিশোধ করে হল ত্যাগ করতে হবে।

 

জানা গেছে, বিএসসি (অনার্স) পার্ট-২ পরীক্ষায় পরপর দুইবার অকৃতকার্য হন নিশাত। পরের বছর কৃতকার্য হলেও পরবর্তী বছর আবারও অকৃতকার্য হন। ফলে ড্রপআউট হয়ে যান।

 

হলে অবস্থানের বিষয়টি স্বীকার করে নিশাত বলেন, আমার ছাত্রত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন দেওয়া আছে। প্রাধ্যক্ষের কাছে আমি কিছুদিন সময় নিয়ে এখন হলে অবস্থা করছি। যেহেতু এখনো নতুন করে আসন বরাদ্দ হয়নি, তাই সামনে অ্যালটমেন্ট পর্যন্ত হয়তো থাকার সুযোগ থাকতে পারে।

 

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে যদি আমি ছাত্রত্ব ফিরে পাই, তাহলে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। আর যদি না পাই, তাহলে হয়তো হল ছেড়ে চলে যেতে হবে। বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে হলে থাকা বা হল দখল করে রাখার মতো নয়।

 

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ছামিউল ইসলাম সরকার দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্রত্বের কোনো তথ্য না পাওয়ায় তার আসনটি বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে তার হলে অবস্থান করার তথ্য আমার জানা ছিল না। তবে তিনি ছাত্রত্ব ফিরে পাওয়ার একটি আবেদন করেছেন। তবে এটা একাডেমিক কাউন্সিল তার আবেদন গ্রহণ করেছে কিনা, সেটি আমার জানা নেই। তার ছাত্রত্ব ফিরে না এলে আমরা ওই সিটে অন্য শিক্ষার্থীকে বরাদ্দ দিয়ে দেব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে হবে আলাদা থানা: ববি হাজ্জাজ

ছাত্রত্ব হারিয়ে আসন বাতিল, তবুও হল ছাড়েননি ছাত্রদল নেতা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নিশাত ছাত্রত্ব হারানোর পর হলের আসন বাতিল হয়। কিন্তু এরপরও তিনি হলের ২৩২ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছেন।

 

নিশাত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, নিশাত ড্রপআউট হয়ে তার ছাত্রত্ব হারিয়েছেন। তবে তিনি একাডেমিক কাউন্সিলে (এসি) বিশেষ বিবেচনায় ছাত্রত্ব ফিরে পাওয়ার আবেদন করেছেন বলে জেনেছি। তবে সেখানে তার পুনরায় ভর্তি আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তিনি আবারও একটি আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিষয়টির সঙ্গে বিভাগীয় প্রশাসনের কোনো এখতিয়ার নেই। এটি একাডেমিক কাউন্সিলই দেখবে।

 

মতিহার হল সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুলাই ড্রপআউট হয়ে ছাত্রত্ব হারানোয় নিশাতকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় হল প্রশাসন। প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ছামিউল ইসলাম এক চিঠিতে উল্লেখ করেন, বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর নিয়মিত ছাত্র হিসেবে আপনার ভর্তি হওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে হলে আপনার ভর্তির কোনো তথ্য পায়নি এবং আপনি ড্রপ আউট হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।

 

সিট বাতিলের বিষয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ড্রপ আউট হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় সিট বাতিল করা হলো। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে হলের সব বকেয়া পরিশোধ করে হল ত্যাগ করতে হবে।

 

জানা গেছে, বিএসসি (অনার্স) পার্ট-২ পরীক্ষায় পরপর দুইবার অকৃতকার্য হন নিশাত। পরের বছর কৃতকার্য হলেও পরবর্তী বছর আবারও অকৃতকার্য হন। ফলে ড্রপআউট হয়ে যান।

 

হলে অবস্থানের বিষয়টি স্বীকার করে নিশাত বলেন, আমার ছাত্রত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন দেওয়া আছে। প্রাধ্যক্ষের কাছে আমি কিছুদিন সময় নিয়ে এখন হলে অবস্থা করছি। যেহেতু এখনো নতুন করে আসন বরাদ্দ হয়নি, তাই সামনে অ্যালটমেন্ট পর্যন্ত হয়তো থাকার সুযোগ থাকতে পারে।

 

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে যদি আমি ছাত্রত্ব ফিরে পাই, তাহলে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। আর যদি না পাই, তাহলে হয়তো হল ছেড়ে চলে যেতে হবে। বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে হলে থাকা বা হল দখল করে রাখার মতো নয়।

 

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ছামিউল ইসলাম সরকার দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্রত্বের কোনো তথ্য না পাওয়ায় তার আসনটি বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে তার হলে অবস্থান করার তথ্য আমার জানা ছিল না। তবে তিনি ছাত্রত্ব ফিরে পাওয়ার একটি আবেদন করেছেন। তবে এটা একাডেমিক কাউন্সিল তার আবেদন গ্রহণ করেছে কিনা, সেটি আমার জানা নেই। তার ছাত্রত্ব ফিরে না এলে আমরা ওই সিটে অন্য শিক্ষার্থীকে বরাদ্দ দিয়ে দেব।