চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গত বৃহস্পতিবার রাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ব্যানারে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদ হোসেন (৩২), এম এ আউয়াল টিপু (২৭) এবং আব্দুল আলীম (৩০)। তাদের মধ্যে হামিদ হোসেন ও এম এ আউয়াল টিপু বাহারছড়া ইউনিয়ন এবং আব্দুল আলীম গণ্ডামারা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
তবে গ্রেপ্তারদের সুনির্দিষ্ট এই মামলায় আসামি করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানায়নি।
বাঁশখালী থানায় আজ শনিবার সকালে মামলাটি রুজু করা হয়। বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সকালে এ ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলায় অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। জড়িত বাকিদের ধরতে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।’
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার এলাকায় মশাল মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে এই মিছিল হয়, যেখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচিত হলে পুলিশ আজ মামলাটি দায়ের করে।
প্রায় ৩ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, যুবকদের একটি দল মশাল হাতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিল করছে এবং মিছিল শেষে সড়কের মাঝে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে। এ সময় তারা ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘শেখ হাসিনা সরকার, বারবার দরকার’, ‘বাঁশখালীতে সেলিম ভাই, শেখ হাসিনার ভয় নাই’, ‘অবৈধ সরকার মানি না’ এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তারা পালিয়ে যান।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















