ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হঠাৎ কেন সপরিবারে ৩ দেশ সফরে জামায়াতের ৩৪ এমপি গাজী নজরুল মুক্তিযোদ্ধা, পালিয়ে যাওয়ার লোক নন: শুনানিতে আইনজীবী বোদায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মাদরাসার জমি দখলের অভিযোগ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সরকারের ব্যর্থতার সূচক: আখতার হোসেন ‘তেলের দাম বাড়াতে গণশুনানি ছাড়া রাতে গেজেট’, প্রশ্ন শিশির মনিরের শুনে শুনেই ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ করলেন মিশরের নারী ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিশেষ মুহূর্ত: মাহদী আমিন ডিজেলের দাম বাড়ানোর পরও লিটারে ৭০ টাকা ভতুর্কি দিতে হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের চিঠিতে এমপি নজরুল ইসলামের পদ শূন্য করার সুযোগ নেই: ইসি সচিব

যখন আমি প্রথম বিধায়ক হই অমিত শাহ তখন শিশু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্যের জবাবে এবার তীব্র ভাষায় পালটা জবাব দিয়েছেন রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

গোয়ায় এক জনসভায় অমিত শাহকে উদ্দেশ করে খাড়গে বলেন, তিনি যখন প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন, তখন অমিত শাহ ছিলেন শিশু। অথচ এখন তিনিই কংগ্রেস ও গান্ধী পরিবারকে দেশপ্রেম শেখাচ্ছেন।

মূলত ভারতের স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ পুরোটা না গেয়ে মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন অমিত শাহ। এর জবাবে কংগ্রেসের দাবি, গান থামানোর জন্য নয়, দলীয় সভাপতি খাড়গের বসার সুবিধার জন্য চেয়ার আনতে অনুষ্ঠান পরিচালকদের ইশারা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তাদের দাবি, অনুষ্ঠানে পুরো ‘বন্দে মাতরম’ই পরিবেশন করা হয়েছে।

কংগ্রেস আরও দাবি করে, ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনা করেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম কয়েকটি স্তবক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন।

এদিকে বিজেপির দেশপ্রেমের দাবি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন খাড়গে। তিনি বলেন, কংগ্রেস দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে; বিজেপি বা আরএসএসের কে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে—এ প্রশ্নের জবাব তাদের দিতে হবে।

সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডে নিজের জনসভাস্থল ‘শুদ্ধিকরণ’ করতে একটি গোষ্ঠীর যজ্ঞ আয়োজনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন খাড়গে। ঘটনাটিকে দেশের জন্য লজ্জাজনক উল্লেখ করে বিজেপির ধর্মীয় রাজনীতিরও সমালোচনা করেন তিনি।

খাড়গের বক্তব্যের সময় জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘ধিক্কার, ধিক্কার’ স্লোগান দেন। তিনি বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, অন্যকে দেশপ্রেম বা ধর্মের শিক্ষা দেওয়ার আগে নিজেদের শুদ্ধ হওয়া উচিত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ কেন সপরিবারে ৩ দেশ সফরে জামায়াতের ৩৪ এমপি

যখন আমি প্রথম বিধায়ক হই অমিত শাহ তখন শিশু

আপডেট সময় ০৫:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্যের জবাবে এবার তীব্র ভাষায় পালটা জবাব দিয়েছেন রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

গোয়ায় এক জনসভায় অমিত শাহকে উদ্দেশ করে খাড়গে বলেন, তিনি যখন প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন, তখন অমিত শাহ ছিলেন শিশু। অথচ এখন তিনিই কংগ্রেস ও গান্ধী পরিবারকে দেশপ্রেম শেখাচ্ছেন।

মূলত ভারতের স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ পুরোটা না গেয়ে মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন অমিত শাহ। এর জবাবে কংগ্রেসের দাবি, গান থামানোর জন্য নয়, দলীয় সভাপতি খাড়গের বসার সুবিধার জন্য চেয়ার আনতে অনুষ্ঠান পরিচালকদের ইশারা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তাদের দাবি, অনুষ্ঠানে পুরো ‘বন্দে মাতরম’ই পরিবেশন করা হয়েছে।

কংগ্রেস আরও দাবি করে, ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনা করেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম কয়েকটি স্তবক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন।

এদিকে বিজেপির দেশপ্রেমের দাবি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন খাড়গে। তিনি বলেন, কংগ্রেস দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে; বিজেপি বা আরএসএসের কে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে—এ প্রশ্নের জবাব তাদের দিতে হবে।

সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডে নিজের জনসভাস্থল ‘শুদ্ধিকরণ’ করতে একটি গোষ্ঠীর যজ্ঞ আয়োজনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন খাড়গে। ঘটনাটিকে দেশের জন্য লজ্জাজনক উল্লেখ করে বিজেপির ধর্মীয় রাজনীতিরও সমালোচনা করেন তিনি।

খাড়গের বক্তব্যের সময় জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘ধিক্কার, ধিক্কার’ স্লোগান দেন। তিনি বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, অন্যকে দেশপ্রেম বা ধর্মের শিক্ষা দেওয়ার আগে নিজেদের শুদ্ধ হওয়া উচিত।