ঢাকা , শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে না, তাদের মাধ্যমেই বড় বড় দুর্নীতি হয়: সাদিক কায়েম অতীত থেকে শিক্ষা না নেওয়ায় শেখ হাসিনাকে পালাতে হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে পূরণ করতে হবে যে ৭ শর্ত ভারত সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার ও বন্ধুত্বের: জামায়াত আমির মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পর তাসনিম জারার দীর্ঘ পোস্ট শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার সিদ্ধান্তে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ ইলিয়াসের ভিডিওর পর নুরুল হকের স্ট্যাটাসে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশনের বন্যা পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনোই জেরুজালেম ছাড়বে না’ লেখা বাদ দিলো সৌদি আরব! নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবায় মিলল আ.লীগ নেতার মরদেহ সৌদি আরবে পুরস্কারজয়ী চার হাফেজকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা

নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবায় মিলল আ.লীগ নেতার মরদেহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের দুদিন পর বাড়ির পাশের ডোবায় মিললো নায়েব আলী (৬০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার লাশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধজনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত নায়েব আলী ওই গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

 

নিহতের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মনির হোসেন বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে খাওয়া-দাওয়া শেষে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশে চাষকৃত কলা বাগানে যান ভাই নায়েব আলী। প্রতি রাতেই কলাবাগান দেখে আবার বাড়ি চলে আসেন। কিন্তু বুধবার রাতে বের হওয়ার পর ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খুঁজতে বের হন। কলাবাগানসহ আশপাশের কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু ওই বাগান ও ডোবার আশপাশে তার ব্যবহৃত টর্চ লাইট, লুঙ্গি-গামছা, বিড়ির প্যাকেট ও গ্যাসলাইট ছড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এতে পরিবারে সন্দেহ বাড়তে থাকে যে, তিনি পরিকল্পিত কোনো ঘটনার শিকার।

 

 

ছড়ানো-ছিটানো নায়েব আলীর ব্যবহৃত জিনিসপত্রের সূত্র ধরে সন্দেহ জাগে বাড়ির পাশে ডোবায়। পরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে খুঁজতে গেলে ডোবায় তার লাশ পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর লাশের পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করেন মনির হোসেন।

 

 

পরিবার জানান, কিছুদিন আগে স্থানীয় মাদক কারবারিদের ঘরবাড়ি ভাঙার সময় উনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরিবারের ধারণা, মাদক ব্যাবসায়ী অথবা রাজনৈতিক রোষানলের শিকার হয়েছেন তিনি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন তারা।

 

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে গভীর আঘাতের চিহ্ন ও কালো দাগ রয়েছে। সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে না, তাদের মাধ্যমেই বড় বড় দুর্নীতি হয়: সাদিক কায়েম

নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবায় মিলল আ.লীগ নেতার মরদেহ

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের দুদিন পর বাড়ির পাশের ডোবায় মিললো নায়েব আলী (৬০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার লাশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধজনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত নায়েব আলী ওই গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

 

নিহতের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মনির হোসেন বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে খাওয়া-দাওয়া শেষে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশে চাষকৃত কলা বাগানে যান ভাই নায়েব আলী। প্রতি রাতেই কলাবাগান দেখে আবার বাড়ি চলে আসেন। কিন্তু বুধবার রাতে বের হওয়ার পর ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খুঁজতে বের হন। কলাবাগানসহ আশপাশের কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু ওই বাগান ও ডোবার আশপাশে তার ব্যবহৃত টর্চ লাইট, লুঙ্গি-গামছা, বিড়ির প্যাকেট ও গ্যাসলাইট ছড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এতে পরিবারে সন্দেহ বাড়তে থাকে যে, তিনি পরিকল্পিত কোনো ঘটনার শিকার।

 

 

ছড়ানো-ছিটানো নায়েব আলীর ব্যবহৃত জিনিসপত্রের সূত্র ধরে সন্দেহ জাগে বাড়ির পাশে ডোবায়। পরে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে খুঁজতে গেলে ডোবায় তার লাশ পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর লাশের পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করেন মনির হোসেন।

 

 

পরিবার জানান, কিছুদিন আগে স্থানীয় মাদক কারবারিদের ঘরবাড়ি ভাঙার সময় উনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরিবারের ধারণা, মাদক ব্যাবসায়ী অথবা রাজনৈতিক রোষানলের শিকার হয়েছেন তিনি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন তারা।

 

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে গভীর আঘাতের চিহ্ন ও কালো দাগ রয়েছে। সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।