ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘পিএম ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চান বলেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল দিতে পারে’: সারজিস আলম রাজনীতির পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির জন্যও কাজ করতে হবে: আজহার ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ আদানির ইউনিট, দেশে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা আওয়ামী লীগ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিব্রত বোধ করি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ক্ষোভ: ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ মিটার রিডার, পরে উদ্ধার হুট করে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল, আরও বাড়ল লোডশেডিং চুরির অভিযোগে তিনজনকে হাত-পা বেঁধে পিটুনি, চোখে ঢালা হলো চুনের পানি

পানির নিচে টেকনাফের ৫০ গ্রাম, দুর্ভোগে ২ হাজার পরিবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

এবার কক্সবাজারের টেকনাফে ভারী বর্ষণে ৫০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও ৪ জুলাই সন্ধ্যা থেকে টেকনাফে একটানা ভারী থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

গতকাল সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে টেকনাফের ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কক্সবাজারে, টেকনাফে ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ দিকে উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আট, হ্নীলা ইউনিয়নের ১২, টেকনাফ পৌরসভার সাত, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছয়, সাবরাং ইউনিয়নের আট, বাহারছড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের পূর্ব রঙিখালী এলাকায় টানা বর্ষণের কারণে প্রায় ৩০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। মূলত খাল দখলের কারণে বৃষ্টির পানি সরতে না পারায় তাদের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, টানা বৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় যারা বসবাস করছেন তাদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পিএম ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চান বলেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মিছিল দিতে পারে’: সারজিস আলম

পানির নিচে টেকনাফের ৫০ গ্রাম, দুর্ভোগে ২ হাজার পরিবার

আপডেট সময় ১০:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

এবার কক্সবাজারের টেকনাফে ভারী বর্ষণে ৫০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও ৪ জুলাই সন্ধ্যা থেকে টেকনাফে একটানা ভারী থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

গতকাল সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে টেকনাফের ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কক্সবাজারে, টেকনাফে ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ দিকে উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আট, হ্নীলা ইউনিয়নের ১২, টেকনাফ পৌরসভার সাত, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছয়, সাবরাং ইউনিয়নের আট, বাহারছড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের পূর্ব রঙিখালী এলাকায় টানা বর্ষণের কারণে প্রায় ৩০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। মূলত খাল দখলের কারণে বৃষ্টির পানি সরতে না পারায় তাদের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, টানা বৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় যারা বসবাস করছেন তাদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।