ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ আদানির ইউনিট, দেশে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা আওয়ামী লীগ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিব্রত বোধ করি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ক্ষোভ: ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ মিটার রিডার, পরে উদ্ধার হুট করে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল, আরও বাড়ল লোডশেডিং চুরির অভিযোগে তিনজনকে হাত-পা বেঁধে পিটুনি, চোখে ঢালা হলো চুনের পানি বাক্‌স্বাধীনতা যেন বাক্ শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা আলজেরিয়ার

ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক দাবিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোতে আবারও পুরোদমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে ইরান। দেশটির কাছে মজুত থাকা বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে মাটির নিচে এই উৎপাদন প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধের শুরুর দিকে ইরানের বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্প স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জোট। সে সময় পশ্চিমা শক্তি দাবি করেছিল যে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। তবে নতুন এই কর্মতৎপরতার ফলে তাদের সেই সবচেয়ে বড় সামরিক সাফল্যের দাবিটি এখন অনেকটাই ম্লান হতে বসেছে।কর্মকর্তারা জানান, ব্যাপক বিমান হামলার পরও ইরান তরল এবং কঠিন—উভয় ধরনের জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন (Assembling) কাজ সফলভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খোজির ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে বিপুল কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যৎ বিমান হামলা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইরান নতুন করে আরও গভীর ভূগর্ভস্থ সংযোজন কারখানা গড়ে তোলার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে।সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই ভূগর্ভস্থ উৎপাদন অব্যাহত রাখা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি হামলার জন্য প্রস্তুত অবস্থাতেই মজুত রাখা যায়, যা ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান

ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান

আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক দাবিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোতে আবারও পুরোদমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে ইরান। দেশটির কাছে মজুত থাকা বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে মাটির নিচে এই উৎপাদন প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধের শুরুর দিকে ইরানের বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্প স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জোট। সে সময় পশ্চিমা শক্তি দাবি করেছিল যে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। তবে নতুন এই কর্মতৎপরতার ফলে তাদের সেই সবচেয়ে বড় সামরিক সাফল্যের দাবিটি এখন অনেকটাই ম্লান হতে বসেছে।কর্মকর্তারা জানান, ব্যাপক বিমান হামলার পরও ইরান তরল এবং কঠিন—উভয় ধরনের জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন (Assembling) কাজ সফলভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খোজির ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে বিপুল কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যৎ বিমান হামলা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইরান নতুন করে আরও গভীর ভূগর্ভস্থ সংযোজন কারখানা গড়ে তোলার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে।সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই ভূগর্ভস্থ উৎপাদন অব্যাহত রাখা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি হামলার জন্য প্রস্তুত অবস্থাতেই মজুত রাখা যায়, যা ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।