ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলকে দিতে হবে: ১১ দলীয় ঐক্য নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মাথায় সমস্যা থাকায় ভুল করেছেন গায়ক আসিফ: রাশেদ খাঁন প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি, প্রমাণের জন্য পাশে রেখেছিল কাটা মাথা চুরির শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে যুবককে ছাড় ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হট্টগোল ‘অতিথি না করায় ১৪৪ ধারা জারি করা’ বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় তিন সন্তানের ঘরে ঠাঁই হয়নি বৃদ্ধ মা-বাবার

প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হট্টগোল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের একটি ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় দাওয়াত না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হট্টগোল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউসে আজ বুধবার দুপুরে এই হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

 

 

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেয়ার অভিযোগ তুলেন জেলা বিএনপি নেতারা। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, এর আগেও সরকারি যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের দাওয়াত দেয়া হয়নি। আজও এরই ধারাবাহিকতায় জেলা বিএনপির নেতাদের দাওয়াত দেয়নি জেলা প্রশাসন।

 

এদিকে, সার্কিট হাউসের করিডরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ তুলে ধরার সময় তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশীদ। এ সময় তিনি প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের হাত ধরে তাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

 

হারুনুর রশীদ অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিক নয় উল্লেখ করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের আচরণকে ‘বেয়াদবি’ বলে মন্তব্য করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রীকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

 

উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জায়েদুল ইসলাম যাহিদ বলেন, ‘ডিসিকে বরখাস্ত করা হোক। এ হলো আওয়ামী লীগের দোসর। উনিই বিএনপিকে দ্বিখণ্ডিত করছেন। একজনের পাঁ চাঁটছেন আরেক জনকে উসকে দিচ্ছেন, এভাবেই আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে বিএনপিকে ধ্বংস করছেন।’

 

 

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি কারও সঙ্গে ঝগড়া করতে যাননি, জেলা বিএনপিকে না জানানোর প্রতিবাদ জানাতেই সেখানে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তাদের দলের একজন ব্যক্তি হওয়ায় এবং জেলা বিএনপির কোনো নেতাকে তার সফর সম্পর্কে অবগত না করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ কারণেই বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, পরে প্রতিমন্ত্রী একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন।

 

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আরও বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইচ্ছাকৃতভাবে জেলা বিএনপিকে না জানিয়ে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। প্রতিমন্ত্রী যেহেতু তাদের দলীয় একজন ব্যক্তি, তাই তার সফর ও অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবশ্যই জেলা বিএনপিকে অবগত করা উচিত ছিল।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলকে দিতে হবে: ১১ দলীয় ঐক্য

প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হট্টগোল

আপডেট সময় ১১:৩০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের একটি ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় দাওয়াত না দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হট্টগোল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউসে আজ বুধবার দুপুরে এই হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

 

 

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেয়ার অভিযোগ তুলেন জেলা বিএনপি নেতারা। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, এর আগেও সরকারি যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের দাওয়াত দেয়া হয়নি। আজও এরই ধারাবাহিকতায় জেলা বিএনপির নেতাদের দাওয়াত দেয়নি জেলা প্রশাসন।

 

এদিকে, সার্কিট হাউসের করিডরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ তুলে ধরার সময় তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশীদ। এ সময় তিনি প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের হাত ধরে তাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

 

হারুনুর রশীদ অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিক নয় উল্লেখ করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের আচরণকে ‘বেয়াদবি’ বলে মন্তব্য করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রীকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

 

উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জায়েদুল ইসলাম যাহিদ বলেন, ‘ডিসিকে বরখাস্ত করা হোক। এ হলো আওয়ামী লীগের দোসর। উনিই বিএনপিকে দ্বিখণ্ডিত করছেন। একজনের পাঁ চাঁটছেন আরেক জনকে উসকে দিচ্ছেন, এভাবেই আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে বিএনপিকে ধ্বংস করছেন।’

 

 

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি কারও সঙ্গে ঝগড়া করতে যাননি, জেলা বিএনপিকে না জানানোর প্রতিবাদ জানাতেই সেখানে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তাদের দলের একজন ব্যক্তি হওয়ায় এবং জেলা বিএনপির কোনো নেতাকে তার সফর সম্পর্কে অবগত না করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ কারণেই বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, পরে প্রতিমন্ত্রী একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন।

 

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আরও বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইচ্ছাকৃতভাবে জেলা বিএনপিকে না জানিয়ে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। প্রতিমন্ত্রী যেহেতু তাদের দলীয় একজন ব্যক্তি, তাই তার সফর ও অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবশ্যই জেলা বিএনপিকে অবগত করা উচিত ছিল।’