বগুড়ার আদমদীঘিতে ফার্মেসিতে ওষুধ চুরির সময় মো. আলামিন (৩০) নামে এক যুবককে আটক করে শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানো হয়েছে। নামাজ শেষে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আলামিন উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের বাসিন্দা।
ফার্মেসির মালিক জহুরুল ইসলাম জানান, দুপুর ১২টার দিকে দোকান খোলা রেখে তিনি বাথরুমে যান। এ সুযোগে আলামিন দোকানের গেটের কাছে একটি চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে চেয়ারটি ভেঙে পড়ে গেলে বিষয়টি পাশের দোকানদারের নজরে আসে। তিনি দ্রুত এগিয়ে গিয়ে আলামিনকে আটক করেন। পরে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে আলামিন ওষুধ চুরির কথা স্বীকার করেন।
এ সময় স্থানীয়রা তাকে শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ার নির্দেশ দেন।
পাশের কিটনাশক ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান মামুন বলেন, আলামিনকে দীর্ঘ সময় নামাজ পড়ানো না হলে স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে মারধর করতে পারতেন। তাই মারধরের পরিবর্তে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানো হয়। এতে সে নিজের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে-এমনটাই আশা স্থানীয়দের। পরে নামাজ পড়া শেষ হলে আলামিনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















