ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেপালের আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজ আরও অন্তত ৪০৩ তিস্তায় পাথর উত্তোলনে প্রতিদিন দেড় লাখ টাকার চাঁদা সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলকে দিতে হবে: ১১ দলীয় ঐক্য নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মাথায় সমস্যা থাকায় ভুল করেছেন গায়ক আসিফ: রাশেদ খাঁন প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি, প্রমাণের জন্য পাশে রেখেছিল কাটা মাথা চুরির শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে যুবককে ছাড় ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হট্টগোল ‘অতিথি না করায় ১৪৪ ধারা জারি করা’ বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া (৫০) পলাতক রয়েছেন।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এজাহার ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করে।

 

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিলের দিকে বকুলের সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্তও বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে জানা যায়, সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

 

ভুক্তভোগী জানিয়েছে, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল ও আবু তাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেতেন এবং অন্যদের দিয়েও ধর্ষণ করাতেন। এ ঘটনায় সে কঠিন বিচার দাবি করেছে।

 

কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আবু মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজ আরও অন্তত ৪০৩

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া (৫০) পলাতক রয়েছেন।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এজাহার ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করে।

 

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিলের দিকে বকুলের সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্তও বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে জানা যায়, সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

 

ভুক্তভোগী জানিয়েছে, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল ও আবু তাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেতেন এবং অন্যদের দিয়েও ধর্ষণ করাতেন। এ ঘটনায় সে কঠিন বিচার দাবি করেছে।

 

কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আবু মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।