ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ঢুকবে নেপালের পাহাড়ি ঢল, দেওয়া হলো পানির গতিপথ দিনাজপুরে শ্রমিকনেতা গ্রেপ্তার: পুলিশ-বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষ স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় হাজিরা শেষে নাট্যাভিনেতা আলভী বললেন, ‘আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী’ এবার ভয়াবহ দুর্যোগের ঝুঁকিতে ভারত, দুই রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১২৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করবো: রাষ্ট্রপতি বন্যাকবলিত এলাকায় পৌঁছেছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী ‘কোনো মুসলিম দেশের ভূখণ্ড যেন অন্য মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়’ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

এবার ভয়াবহ দুর্যোগের ঝুঁকিতে ভারত, দুই রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল। এবার দেশটির ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারেও বেড়েছে বন্যার আশঙ্কা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুই রাজ্যেই জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের বন্যার প্রভাব ভারতের দিকে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ নারায়ণী-গণ্ডক নদী। তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে উৎপত্তি হওয়া নারায়ণী নদী নেপাল পেরিয়ে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের পর গণ্ডক নামে প্রবাহিত হয়েছে। পরে এই নদী উত্তর প্রদেশ ও বিহারের বিভিন্ন এলাকা পেরিয়ে গঙ্গায় মিশেছে।

নেপালের রাসুয়া জেলার ভয়াবহ বন্যায় ভোতে কোশি নদীতে প্রবল স্রোত তৈরি হয়েছে। এই নদী ত্রিশুলি নদী ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত নারায়ণী-গণ্ডক অববাহিকায় প্রবাহিত হয়েছে।

ফলে নেপালের নারায়ণী নদীর পানির স্তর বাড়লে তার প্রভাব ভারতের গণ্ডক নদীতেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে পূর্ব উত্তর প্রদেশ ও উত্তর বিহারের বেশ কিছু এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ইতোমধ্যে বিহারের পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, সারণ, মুজাফফরপুর ও বৈশালীসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাল্মীকিনগরের গণ্ডক ব্যারাজের ৩৬টি গেটই খুলে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৮৬ হাজার কিউসেক পানি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে উত্তর প্রদেশের মহারাজগঞ্জ ও কুশিনগর জেলাতেও উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, গণ্ডক ও নারায়ণী নদীর পানি বাড়ছে। এতে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ, নেপালের ভয়াবহ বন্যার পর এবার একই নদী অববাহিকার কারণে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ঢুকবে নেপালের পাহাড়ি ঢল, দেওয়া হলো পানির গতিপথ

এবার ভয়াবহ দুর্যোগের ঝুঁকিতে ভারত, দুই রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা

আপডেট সময় ০৪:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল। এবার দেশটির ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারেও বেড়েছে বন্যার আশঙ্কা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুই রাজ্যেই জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের বন্যার প্রভাব ভারতের দিকে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ নারায়ণী-গণ্ডক নদী। তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে উৎপত্তি হওয়া নারায়ণী নদী নেপাল পেরিয়ে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের পর গণ্ডক নামে প্রবাহিত হয়েছে। পরে এই নদী উত্তর প্রদেশ ও বিহারের বিভিন্ন এলাকা পেরিয়ে গঙ্গায় মিশেছে।

নেপালের রাসুয়া জেলার ভয়াবহ বন্যায় ভোতে কোশি নদীতে প্রবল স্রোত তৈরি হয়েছে। এই নদী ত্রিশুলি নদী ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত নারায়ণী-গণ্ডক অববাহিকায় প্রবাহিত হয়েছে।

ফলে নেপালের নারায়ণী নদীর পানির স্তর বাড়লে তার প্রভাব ভারতের গণ্ডক নদীতেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে পূর্ব উত্তর প্রদেশ ও উত্তর বিহারের বেশ কিছু এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ইতোমধ্যে বিহারের পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, সারণ, মুজাফফরপুর ও বৈশালীসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাল্মীকিনগরের গণ্ডক ব্যারাজের ৩৬টি গেটই খুলে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৮৬ হাজার কিউসেক পানি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে উত্তর প্রদেশের মহারাজগঞ্জ ও কুশিনগর জেলাতেও উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, গণ্ডক ও নারায়ণী নদীর পানি বাড়ছে। এতে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ, নেপালের ভয়াবহ বন্যার পর এবার একই নদী অববাহিকার কারণে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা।