ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা, প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগসহ ৯ দাবি জামায়াতের রাস্তার পাশে বাস থামিয়ে রাখলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে: ট্রাফিক কমিশনার স্থানীয় নির্বাচনে জোটে নয়, আলাদা প্রার্থী দেবে দলগুলো: গোলাম পরওয়ার ইরানের হামলায় ১ হাজারের বেশি ইসরায়েলি সেনা নিহত প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত যাবেন, আলোচনা চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী মানবতার স্বার্থে পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মোদির

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেগুলো মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার। পরে সাক্ষাৎ নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়। জনগণের ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত সরকারই দেশের মানুষের জন্য কোনটি ভালো, তা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝবে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চায় ভারত। দুই দেশের সরকার যেসব সিদ্ধান্ত নেয়, তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা উভয় দেশের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্তই নয়, নিজেদের স্বপ্নও ভাগাভাগি করে। তাই প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের দায়িত্বও বেশি। বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের সমান—কেউ বড় কিংবা ছোট নয়।

দুই দেশের সামনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, চ্যালেঞ্জ থাকবেই। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ যেমন রয়েছে, তেমনি ভারতেরও নিজস্ব চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব বাস্তবতা মাথায় রেখে দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন ও দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। তাই অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট সময় ০২:২৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেগুলো মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার। পরে সাক্ষাৎ নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়। জনগণের ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত সরকারই দেশের মানুষের জন্য কোনটি ভালো, তা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝবে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চায় ভারত। দুই দেশের সরকার যেসব সিদ্ধান্ত নেয়, তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। তাই সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা উভয় দেশের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্তই নয়, নিজেদের স্বপ্নও ভাগাভাগি করে। তাই প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের দায়িত্বও বেশি। বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের সমান—কেউ বড় কিংবা ছোট নয়।

দুই দেশের সামনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, চ্যালেঞ্জ থাকবেই। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ যেমন রয়েছে, তেমনি ভারতেরও নিজস্ব চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব বাস্তবতা মাথায় রেখে দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন ও দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। তাই অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।