ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী: স্পিকার মেজর হাফিজ ‘যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই’ হুথিদের বিরুদ্ধে বড় আগ্রাসনের প্রস্তুতি সৌদি আরবের কারাগারে সাবেক এমপির মোবাইলে মিললো কয়েক ডজন পর্ন ভিডিও ইরানি মিত্রগোষ্ঠীর অবস্থানে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বিমান হামলা, বহু হতাহত ভাইভায় বিশেষ নম্বর দিয়ে কাউকে পাস করানোর পরিকল্পনা নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী জামায়াতের কারণেই আওয়ামী লীগ মিছিল করার সাহস পাচ্ছে: রাশেদ খাঁন ‘মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি গরুর মাংস খায়’ দেশে সারের কোনো সংকট নেই, মজুতের চেষ্টা করলেই ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী লাড্ডুতে পোকা দেখিয়ে দোকানির কাছে আইফোন দাবির অভিযোগ কনটেন্ট ক্রিয়েটর দম্পতির বিরুদ্ধে

‘মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি গরুর মাংস খায়’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রকাশ্যে গরুর মাংস খাওয়ার কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে তাকে। এমতাবস্থায় প্রবীণ অভিনেতার সমর্থনে কথা বলে বিতর্কে জড়ালেনমাধারাবাহিক খ্যাতঝিলিকওরফে তিথি বসু। গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও খাবারের প্রশংসা করেন বিশ্বজিৎ। বিশেষ করে গরুর মাংস ও ইলিশের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথা জানান তিনি। তার সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় সমালোচনা।

বিষয়টি নজরে আসার পর বিশ্বজিতের পক্ষে কথা বলেন তিথি।  ঝিলিকের মন্তব্য, বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। নিজের সততা থেকেই সত্যি কথাটা বলেছেন উনি। তাছাড়া বাংলাদেশে গিয়ে কে, কী খাবেন বা খাবেন না? সেটা তো যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। তিথির দাবি, সিনেপাড়ার অনেকেই আড়ালেআবডালে কিংবা প্রকাশ্যে গোমাংস খেয়ে থাকেন।

প্রসঙ্গটি টেনেই অভিনেত্রীর সংযোজন, আমাদের ধারাবাহিকেই এমন অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পীঅভিনেতা ছিলেন, যারা সেটে বসে গরু নিয়ে গল্প করতেন। এমনকি কলকাতার অনেক খ্যাতনামা জায়গায় যখন গরুর মাংস বিক্রি হত, সেখানে বেশিরভাগ হিন্দুরাই যেতেন। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাদেরও দেখেছি বিফ খাওয়ার জন্য ছুটে যেতে। তিথির ভাষ্য, ‌‘অনেক মানুষ গরুর মাংস খায়। এটাই বাস্তব। এমনকি মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি খায়। যারা প্রকাশ্যে বলেন না, তাদের মধ্যেও অনেকেই হয়তো আড়ালে খেয়ে থাকেন।তিনি আরও বলেন, কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস, সেটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। নিজের পছন্দ অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

এমন কথা বলেই আলোচনায় তিথি। কারও মন্তব্য, ‘তুমিও গরুর মাংস খাও! তোমার প্রতি ভালোবাসা কমে গেল।কারও মন্তব্য, ‘অপরিণত মস্তিষ্কে এই বিষয়ে তোমার কথা না বলাই ভালো।কারও কটাক্ষ, ‘আমরা গোমাতার পূজা করি হিন্দুর নামে কলঙ্ক তুমি।কেউ বা প্রশ্ন তুললেন, ‘গরুর মাংস খাওয়া ব্যক্তিগত বিষয় হতেই পারে, কিন্তু প্রকাশ্যে প্রচার করার দরকার কি?’  সব মিলিয়ে বিশ্বজিতের বিতর্কে কথা বলে এবার নিজেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেনঝিলিকখ্যাত তিথি বসু।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা

‘মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি গরুর মাংস খায়’

আপডেট সময় ০২:১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার প্রকাশ্যে গরুর মাংস খাওয়ার কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে তাকে। এমতাবস্থায় প্রবীণ অভিনেতার সমর্থনে কথা বলে বিতর্কে জড়ালেনমাধারাবাহিক খ্যাতঝিলিকওরফে তিথি বসু। গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও খাবারের প্রশংসা করেন বিশ্বজিৎ। বিশেষ করে গরুর মাংস ও ইলিশের প্রতি নিজের ভালো লাগার কথা জানান তিনি। তার সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় সমালোচনা।

বিষয়টি নজরে আসার পর বিশ্বজিতের পক্ষে কথা বলেন তিথি।  ঝিলিকের মন্তব্য, বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। নিজের সততা থেকেই সত্যি কথাটা বলেছেন উনি। তাছাড়া বাংলাদেশে গিয়ে কে, কী খাবেন বা খাবেন না? সেটা তো যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। তিথির দাবি, সিনেপাড়ার অনেকেই আড়ালেআবডালে কিংবা প্রকাশ্যে গোমাংস খেয়ে থাকেন।

প্রসঙ্গটি টেনেই অভিনেত্রীর সংযোজন, আমাদের ধারাবাহিকেই এমন অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পীঅভিনেতা ছিলেন, যারা সেটে বসে গরু নিয়ে গল্প করতেন। এমনকি কলকাতার অনেক খ্যাতনামা জায়গায় যখন গরুর মাংস বিক্রি হত, সেখানে বেশিরভাগ হিন্দুরাই যেতেন। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাদেরও দেখেছি বিফ খাওয়ার জন্য ছুটে যেতে। তিথির ভাষ্য, ‌‘অনেক মানুষ গরুর মাংস খায়। এটাই বাস্তব। এমনকি মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি খায়। যারা প্রকাশ্যে বলেন না, তাদের মধ্যেও অনেকেই হয়তো আড়ালে খেয়ে থাকেন।তিনি আরও বলেন, কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস, সেটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। নিজের পছন্দ অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

এমন কথা বলেই আলোচনায় তিথি। কারও মন্তব্য, ‘তুমিও গরুর মাংস খাও! তোমার প্রতি ভালোবাসা কমে গেল।কারও মন্তব্য, ‘অপরিণত মস্তিষ্কে এই বিষয়ে তোমার কথা না বলাই ভালো।কারও কটাক্ষ, ‘আমরা গোমাতার পূজা করি হিন্দুর নামে কলঙ্ক তুমি।কেউ বা প্রশ্ন তুললেন, ‘গরুর মাংস খাওয়া ব্যক্তিগত বিষয় হতেই পারে, কিন্তু প্রকাশ্যে প্রচার করার দরকার কি?’  সব মিলিয়ে বিশ্বজিতের বিতর্কে কথা বলে এবার নিজেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেনঝিলিকখ্যাত তিথি বসু।