এবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পারভাথানেনি ৯/১১ হামলার সাথে জড়িত আল–কায়দা নেতাদের উদাহরণ টেনে বলেন, ওসামা বিন লাদেন, খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও রামজি বিনালশিবদের মতো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের কোনো দুর্গম পাহাড়ে নয়, বরং পাকিস্তানের জনবহুল শহরাঞ্চলের আস্তানাতেই পাওয়া গিয়েছিল। তিনি ২০১১ সালে অ্যাবোটাবাদে মার্কিন অভিযানে ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার ঘটনাটি উল্লেখ করে বলেন, সন্ত্রাসবাদের এই মূল হোতারা দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় সুরক্ষায় লোকালয়েই আশ্রয় পেয়ে এসেছিল।
হরিশ পারভাথানেনি আরো সতর্ক করে বলেন, অতীতে আল–কায়দাকে প্রশ্রয় দেওয়া সেই একই পরিবেশ এখন লস্কর–ই–তৈবা এবং জইশ–ই–মোহাম্মদের মতো গোষ্ঠীগুলোকেও আশ্রয় ও দায়মুক্তি দিয়ে চলেছে। এই গোষ্ঠীগুলো নাম বদলে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর আওতায় ভারতীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে এসব সংগঠনের প্রশিক্ষণ শিবির ও অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল।
জাতিসংঘে ভারতীয় প্রতিনিধি জোর দিয়ে বলেন, কোনো দেশ বা সাধারণ মানুষ যাতে আর নতুন করে কোনো সন্ত্রাসী হামলার শিকার না হয়, সেজন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সব ধরনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















