ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নিখোঁজের পর আট মাসে ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮ ‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, এ দেশের দরকার নাই’—অপ্রতিমের মায়ের আহাজারি গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই বিএনপি জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: অলি আহমদ আইনের মারপ্যাঁচে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দিলে গণবিস্ফোরণ হবে: মঞ্চ ২৪ দাবি না মানলে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হবে: জামায়াতের আমির কমলাপুর রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণ অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় সারাদেশে এখন জনমনে আতঙ্ক, মানুষের নিরাপত্তা নেই: নাহিদ ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়ালে পাকিস্তানে মহাবিপর্যয় নেমে আসবে: রাজা নাসির আব্বাস

‘এক আইফোনের জন্য মেরে ফেললি, এ রকম ১০ ফোন মুক্তিপণ চাইতি—দিতাম’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতীম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। দীর্ঘ সময় ছেলের খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবদুল হাকিম বলেন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলের এমন মৃত্যু তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। এদিকে শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার পোস্টে আইফোনের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। তবে অপ্রতীমকে ঠিক কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের পর আট মাসে ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮

‘এক আইফোনের জন্য মেরে ফেললি, এ রকম ১০ ফোন মুক্তিপণ চাইতি—দিতাম’

আপডেট সময় ০৫:৩১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতীম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। দীর্ঘ সময় ছেলের খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবদুল হাকিম বলেন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলের এমন মৃত্যু তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। এদিকে শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার পোস্টে আইফোনের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। তবে অপ্রতীমকে ঠিক কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।