ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু তেল পাচারের অভিযোগে দুইজন আটক ৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পরও বেঁচে ফিরলেন রোগী অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে দানবাক্সে চিঠি, সঙ্গে নগদ টাকা ও একজোড়া স্বর্ণের দুল সংরক্ষিত নারী আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ প্রার্থী নির্বাচিত, গেজেট কাল ব্রিটিশরা না থাকলে আমেরিকানরা এখন ফরাসি ভাষায় কথা বলত: ট্রাম্পকে খোঁচা রাজা তৃতীয় চার্লসের হরমুজ প্রণালির জন্য ইরানকে টোল দিতে রাজি নয় মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে শুভেন্দুকে মারার চেষ্টা পিএসএলের ফাইনালে গতির ঝড় তুলতে পাকিস্তান যাচ্ছেন নাহিদ রানা ইরানকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীসহ দেশের সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতি দেন শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, এ হঠকারী সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করে প্রয়োজনে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে নিয়মিত সশরীরে পাঠদান চালু রাখতে হবে। বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, ৩১ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় ঢাকাসহ সব মহানগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অদূরদর্শী। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অথচ একই সঙ্গে জ্বালানি সংকটের অজুহাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালু করা হচ্ছেযা পরস্পরবিরোধী এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

তারা প্রশ্ন তোলেন, দেশে যদি সত্যিই জ্বালানি সংকট থাকে, তবে তার চাপ কেন শিক্ষার্থীদের ওপর দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রের অন্য সব খাত সচল রেখে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা যেতে পারে।

করোনাকালীন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শিবির নেতারা বলেন, অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। উচ্চ ইন্টারনেট খরচ ও ডিভাইস সংকটে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং শেখার ঘাটতি তৈরি হয়। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে ডিভাইস আসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকিও বাড়ে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তারা আরও বলেন, জ্বালানি সংকট বা যানজট নিরসনের অজুহাতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিক্ষা অধিকার খর্ব করার সুযোগ নেই। শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় এর দায়ভার সরকারকেই বহন করতে হবে। বিবৃতিতে অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সব শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত সশরীরে পাঠদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের

আপডেট সময় ০১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

এবার রাজধানীসহ দেশের সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতি দেন শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, এ হঠকারী সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করে প্রয়োজনে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে নিয়মিত সশরীরে পাঠদান চালু রাখতে হবে। বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, ৩১ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় ঢাকাসহ সব মহানগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অদূরদর্শী। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অথচ একই সঙ্গে জ্বালানি সংকটের অজুহাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালু করা হচ্ছেযা পরস্পরবিরোধী এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

তারা প্রশ্ন তোলেন, দেশে যদি সত্যিই জ্বালানি সংকট থাকে, তবে তার চাপ কেন শিক্ষার্থীদের ওপর দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রের অন্য সব খাত সচল রেখে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা যেতে পারে।

করোনাকালীন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শিবির নেতারা বলেন, অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। উচ্চ ইন্টারনেট খরচ ও ডিভাইস সংকটে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং শেখার ঘাটতি তৈরি হয়। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে ডিভাইস আসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকিও বাড়ে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তারা আরও বলেন, জ্বালানি সংকট বা যানজট নিরসনের অজুহাতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিক্ষা অধিকার খর্ব করার সুযোগ নেই। শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় এর দায়ভার সরকারকেই বহন করতে হবে। বিবৃতিতে অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সব শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত সশরীরে পাঠদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।