ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে চড়, ফেসবুকে ফের শাসালেন ছাত্রদল নেত্রী আর ভদ্রতা নয়, অস্ত্র হাতে ছবি দিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের ৫ নেতাকে শোকজ প্যারোলে মুক্তি মেলেনি, জেলগেটে নেওয়া হলো ছাত্রলীগ নেতার বাবার লাশ নিজ হাতে জিপ গাড়ি বানিয়ে তাক লাগালেন রূপগঞ্জের সোহেল মিয়া পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু তেল পাচারের অভিযোগে দুইজন আটক ৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পরও বেঁচে ফিরলেন রোগী অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে দানবাক্সে চিঠি, সঙ্গে নগদ টাকা ও একজোড়া স্বর্ণের দুল সংরক্ষিত নারী আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ প্রার্থী নির্বাচিত, গেজেট কাল

৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পরও বেঁচে ফিরলেন রোগী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

কয়েকজন চিকিৎসক ভেবেছিলেন, রোগী মারা গেছেন। নাছোড়বান্দা কয়েকজন। ৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকা ওই ব্যক্তি অবশেষে শ্বাস নিয়েছেন। বেঁচে ফিরেছেন মৃত্যুর মুখ থেকে।

বিরল এই চিকিৎসা ঘটনার ঘটেছে চীনের একটি হাসপাতালে। ৪০ বছর বয়সী ওই রোগীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে এই ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্রশংসায় ভাসছেন।

 

চীনের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে চীনের জিশিয়ান হাসপাতালে। হাসপাতালের এক চিকিৎসক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

 

জানা যায়, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার হৃদস্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাস দুটোই বন্ধ হয়ে যায়।

 

চিকিৎসকেরা জানান, তিনি ফুলমিন্যান্ট মায়োকার্ডাইটিসে আক্রান্ত ছিলেন। যা হৃদপিণ্ডের মারাত্মক প্রদাহ। ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে এটি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোগীর হৃদস্পন্দন ফেরাতে চিকিৎসকেরা প্রায় ১০ বার বৈদ্যুতিক শক (ডিফিব্রিলেশন) প্রয়োগ করেন। তবে তাতে কোনো সাড়া মেলেনি। পরে তাকে এক্সট্রাকরপোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন মেশিনে (ইসিএমও) নেওয়া হয়। যা কৃত্রিমভাবে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের কাজ চালিয়ে রাখে।

 

চিকিৎসকদের ভাষ্য, রোগীর হৃদযন্ত্র প্রায় ৪০ ঘণ্টার বেশি সময় কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলো। কিন্তু ইসিএমও সহায়তা ও নিবিড় চিকিৎসায় তিনি বেঁচে থাকেন।

প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর হৃদযন্ত্রে আবার কার্যক্রম শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসে। এরপর আরও ১০ দিন তাকে মেশিন সাপোর্টে রাখা হয়। পরে তাকে কার্ডিওলজি ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। প্রায় ২০ দিনের মধ্যে রোগী পুরোপুরি চেতনা ফিরে পান এবং কারও সহায়তা ছাড়াই হাঁটতে সক্ষম হন।

 

সুস্থ হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রোগীর পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঐতিহ্যবাহী রেশমের ব্যানার উপহার দেয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে চড়, ফেসবুকে ফের শাসালেন ছাত্রদল নেত্রী

৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পরও বেঁচে ফিরলেন রোগী

আপডেট সময় ০৯:০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

কয়েকজন চিকিৎসক ভেবেছিলেন, রোগী মারা গেছেন। নাছোড়বান্দা কয়েকজন। ৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকা ওই ব্যক্তি অবশেষে শ্বাস নিয়েছেন। বেঁচে ফিরেছেন মৃত্যুর মুখ থেকে।

বিরল এই চিকিৎসা ঘটনার ঘটেছে চীনের একটি হাসপাতালে। ৪০ বছর বয়সী ওই রোগীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে এই ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্রশংসায় ভাসছেন।

 

চীনের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে চীনের জিশিয়ান হাসপাতালে। হাসপাতালের এক চিকিৎসক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

 

জানা যায়, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার হৃদস্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাস দুটোই বন্ধ হয়ে যায়।

 

চিকিৎসকেরা জানান, তিনি ফুলমিন্যান্ট মায়োকার্ডাইটিসে আক্রান্ত ছিলেন। যা হৃদপিণ্ডের মারাত্মক প্রদাহ। ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে এটি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোগীর হৃদস্পন্দন ফেরাতে চিকিৎসকেরা প্রায় ১০ বার বৈদ্যুতিক শক (ডিফিব্রিলেশন) প্রয়োগ করেন। তবে তাতে কোনো সাড়া মেলেনি। পরে তাকে এক্সট্রাকরপোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন মেশিনে (ইসিএমও) নেওয়া হয়। যা কৃত্রিমভাবে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের কাজ চালিয়ে রাখে।

 

চিকিৎসকদের ভাষ্য, রোগীর হৃদযন্ত্র প্রায় ৪০ ঘণ্টার বেশি সময় কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলো। কিন্তু ইসিএমও সহায়তা ও নিবিড় চিকিৎসায় তিনি বেঁচে থাকেন।

প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর হৃদযন্ত্রে আবার কার্যক্রম শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসে। এরপর আরও ১০ দিন তাকে মেশিন সাপোর্টে রাখা হয়। পরে তাকে কার্ডিওলজি ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। প্রায় ২০ দিনের মধ্যে রোগী পুরোপুরি চেতনা ফিরে পান এবং কারও সহায়তা ছাড়াই হাঁটতে সক্ষম হন।

 

সুস্থ হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রোগীর পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঐতিহ্যবাহী রেশমের ব্যানার উপহার দেয়।