ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে গ্যাসের সন্ধান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

এবার জামালপুরের মাদারগঞ্জের তারতাপাড়া গ্রামে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।  রোববার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। এর আগে শনিবার রাতে এই খনিজ সম্পদের সন্ধান পায় বাপেক্স।

গত ১৯৮০ সালে জামালপুরের মাদারগঞ্জের তারতাপাড়া গ্রামে সিসমিক উপাত্তে গ্যাসের উপস্থিতি পায় বাপেক্স। এরপর ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে সিসমিক উপাত্ত এবং ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ক্লোজ গ্রিড সিসমিক সার্ভে হয়। সেই উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ২৪ জানুয়ারি জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ২৬০০ মিটার খননের পর গত রাতে গ্যাসের সন্ধান পায় বাপেক্স। এখন ডিএসটি চলমান রয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও জানান, তিন মাস মেয়াদি প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৬৮ কোটি টাকা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে গ্যাসের সন্ধান

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

এবার জামালপুরের মাদারগঞ্জের তারতাপাড়া গ্রামে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।  রোববার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। এর আগে শনিবার রাতে এই খনিজ সম্পদের সন্ধান পায় বাপেক্স।

গত ১৯৮০ সালে জামালপুরের মাদারগঞ্জের তারতাপাড়া গ্রামে সিসমিক উপাত্তে গ্যাসের উপস্থিতি পায় বাপেক্স। এরপর ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে সিসমিক উপাত্ত এবং ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ক্লোজ গ্রিড সিসমিক সার্ভে হয়। সেই উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ২৪ জানুয়ারি জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ২৬০০ মিটার খননের পর গত রাতে গ্যাসের সন্ধান পায় বাপেক্স। এখন ডিএসটি চলমান রয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও জানান, তিন মাস মেয়াদি প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৬৮ কোটি টাকা।